সিলেট প্রেসক্লাবে বিয়ানীবাজার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে’র সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য
সম্মানিত সাংবাদিকবৃন্দ,

আপনাদের সবাইকে সালাম ও শুভেচ্ছা।
বিয়ানীবাজার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে’র বিরুদ্ধে গত ১০ জানুয়ারি সিলেট প্রেস ক্লাবে জনাব এনামুল হক চৌধুরীর সংবাদ সম্মেলনের প্রেক্ষিতে আজকের সংবাদ সম্মেলন।
এনামুল হক চৌধুরী বিয়ানীবাজার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে’র একজন সাধারণ সদস্য মাত্র। তার লিখিত বক্তব্যে
বিয়ানীবাজার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে’র বিরুদ্ধে নানা মিথ্যাচার, মনগড়া তথ্য দিয়ে একটি অসত্য বক্তব্য উপস্হাপন করেছেন। উপরন্তু জনাব চৌধুরী ট্রাস্টের বৈধ কমিটিকে ‘ভূয়া কমিটি’, ‘দুষ্ট চক্র’ ও ‘ দেলওয়ার বাহিনী’ ইত্যাদি আপত্তিকর ভাষা তার লিখিত বক্তব্যে বলেছেন। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমরা অবিলম্বে জনাব চৌধুরীর এ ধরণের মানহানিকর ,অসৌজন্যমূলক, শিষ্টাচার বহির্ভূত ও অসত্য বক্তব্য প্রত্যাহার করার অনুরোধ জানাচ্ছি।
সম্মানিত সাংবাদিকবৃন্দ,
যুক্তরাজ্যের সর্ববৃহৎ কমিউনিটি সংগঠন বিয়ানীবাজার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে ১৯৯৯ইং সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর ২০০৯-১১ সালের কমিটির উদ্যোগে বৃটিশ চ্যারেটি কমিশন ও কোম্পানি হাউসে রেজিস্ট্রেশন করার প্রক্রিয়া শুরু করে।২০১১ সালে সংগঠনটি চ্যারেটি কমিশন ও কোম্পানি হাউসের রেজিস্ট্রেশন লাভ করে।তৎকালীন সময়ে এ ট্রাস্টের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ছিলেন যথাক্রমে রিয়াজ উদ্দিন, শামীম আহমদ ও দেলোয়ার হোসেন। এরপর ২০১১-১৩ এবং ২০১৩-১৫ সালে ট্রাস্টের পরিচালনা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পরপর অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্যানেল না থাকায় মুহিব-দেলোয়ার -মামুন পরিষদ নির্বাচত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৬ সালে ট্রাস্টের নির্বাচন আয়োজন করা হয়। ২০১৬-১৮ সালের পরিচালনা পরিষদের জন্য দেলোয়ার-মাহবুব- দিলওয়ার পরিষদের একটি প্যানেল জমা পড়ে। গঠনতান্ত্রিক প্রক্রিয়া , চ্যারেটি কমিশন ও কোম্পানি হাউসের সকল নিয়ম অনুসরণ করে এ কমিটি দায়িত্বভার গ্রহণ করে। এ সময় ট্রাস্টের কতিপয় সদস্য চ্যারেটি কমিশনে ট্রাস্টের তৎকালীন পরিচালনা পরিষদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরণের অভিযোগ দায়ের করেন।অত্যন্ত দু:খজনক বিষয় যে, ট্রাস্টের Freedom Fighter Project সম্পর্কে অভিযোগকারীরা ট্রাস্ট বাংলাদেশে জঙ্গিদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে এরকম মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ দায়ের করে বৃটিশ চ্যারেটি কমিশনকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালায়। Freedom Fighter এর বিষয়টি আমরা চ্যারেটি কমিশনকে ব্যাখ্য করি। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা অংশগ্রহণ করেছিলেন তাঁদেরকে মুক্তিযোদ্ধা ( Freedom Fighter) বলা হয়। এখানে উল্লেখ্য যে, Freedom Fighter Project- এ বিয়ানীবাজার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট বিয়ানীবাজার উপজেলার দরিদ্র মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে শীতের কম্বল, রিক্সা ও হুইলচেয়ার বিতরণসহ বিভিন্ন সময়ে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়।চ্যারেটি কমিশন আমাদের ব্যাখ্যায় আশ্বস্ত হয়। এছাড়া অন্যান্য অভিযোগের বিষয়ে উপযুক্ত জবাব প্রদান করি। সকল বিষয়ে চ্যারেটি কমিশন সন্তোষ প্রকাশ করে।
এ সকল অভিযোগকারীরা এরপর ক্ষান্ত হননি। একের পর এক সলিসিটর নোটিশের মাধ্যমে বিয়ানীবাজার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের বর্তমান পরিচালনা পরিষদকে হয়রানি করে যাচ্ছেন। পরিচালনা পরিষদের পক্ষে আইনগত বিষয়টি দেখার জন্য যুক্তরাজ্যের স্বনামধন্য সলিসিটর ফার্ম RUSSEL-COOKE LLP কে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। আমাদের সলিসিটর ফার্মের মাধ্যমে যথাসময়ে তাদের সলিসিটর নোটিশের সকল জবাব দেয়া হয়েছে। অভিযোগকারীরা আমাদের সলিসিটর ফার্মের একটিরও জবাব দেননি।উপরন্তু তারা পৃথক ৩টি সলিসিটর ফার্মের মাধ্যমে পরপর কয়েকটি নোটিশ দিয়েছেন। তাদের এ অপতৎপরতার জন্য ট্রাস্টকে আইনগত বিষয়টি মোকাবেলা করতে বিরাট আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
অপতৎপরতার অংশ হিসেবে ট্রাস্টের সাধারণ সদস্য এনামুল হক চৌধুরী মাননীয় সহকারি জজ আদালত, বিয়ানীবাজার, সিলেট- একটি স্বত্ব মামলা করেছেন। স্বত্ব মামলা নং- ৪২/২০২০। মামলায় ট্রাস্টের ৬ জন পরিচালককে বিবাদী করেন।চৌধুরী মাননীয় সহকারি জজ আদালতে বিয়ানীবাজার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের নামে বাংলাদেশের ন্যাশনাল ব্যাংক থেকে পরিচালকরা যাতে পরবর্তী নির্বাচিত বৈধ কার্যনির্বাহী সংসদ গঠন না হওয়া পর্যন্ত এক অন্তর্বর্তী আদেশ ও নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন। মাননীয় সহকারি জজ আদালত এ আবেদনের প্রেক্ষিতে এক অন্তর্বর্তী আদেশ ও নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে ৬ পরিচালক ও ব্যাংক ম্যানেজারকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
বিয়ানীবাজার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে’র পরিচালনা পরিষদের পক্ষ থেকে বিজ্ঞ আইনজীবীর মাধ্যমে মাননীয় সহকারি জজ আদালতে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট উপস্হাপন করে কারণ দর্শানোর যথাযথ জবাব দেয়া হয়েছে।শীঘ্রই এ মামলার শুনানী হবে এবং মাননীয় সহকারি জজ আদালত এ বিষয়ের নিষ্পত্তি করবেন।
এখানে উল্লেখ্য যে, ২০১৮ ইং সালে ট্রাস্টের অপর একজন সদস্য আব্দুল করিম নাজিম বিয়ানীবাজার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের নামে বাংলাদেশের ন্যাশনাল ব্যাংকের একাউন্টটি ফ্রিজ করার চেষ্টা করেছিলেন।তৎকালীন সময়ে আমাদের সলিসিটর ফার্ম RUSSEL-COOKE LLP ন্যাশনাল ব্যাংক, বিয়ানীবাজার শাখার ম্যানেজারকে আইনগত ব্যাখ্যা দিয়ে একটি পত্র প্রদান করে।ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আশ্বস্ত হয়। এরজন্য একাউন্ট ফ্রিজ করতে ব্যর্থ হন।
আমরা এখানে বলতে চাই, চৌধুরী বিয়ানীবাজার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে’র পরিচালনা পরিষদ ও ট্রাস্টি বোর্ডের কোন সদস্য নন। ট্রাস্টের বর্তমান কমিটি ও পরিচালকরা বৈধ কি-না? গুগলে বৃটিশ চ্যারেটি কমিশনে BEANI BAZAR WELFARE TRUST UK/ Charity number: 1144944 এবং কোম্পানি হাউসে BEANI BAZAR WELFARE TRUST UK/Company number 07672657 সার্চ করলে বিয়ানীবাজার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের পরিচালক কারা তা আপনারা জানতে পারবেন। বৈধ কমিটি হিসেবে চ্যারেটি কমিশন ও কোম্পানি হাউসে বিয়ানীবাজার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের বর্তমান কমিটির Access রয়েছে। এছাড়া পরিচালনা পরিষদ প্রতিবছর চ্যারেটি কমিশন ও কোম্পানি হাউসে একাউন্টস রিপোর্ট প্রদান করে। রেজিস্টার্ড থাকার কারণে বিয়ানীবাজার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের সকল কার্যক্রম মনিটরিং করে চ্যারেটি কমিশন ও কোম্পানি হাউস।
প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ,
এখানে আপনাদের সদয় অবগতির জন্য জানাতে চাই য়ে, ট্রাস্টের সাধারণ সদস্য আব্দুল করিম, আফসার খান, লুৎফুর রহমান ও চৌধুরী আব্দুল কাদির মুরাদ গত ২৩ ডিসেম্বর/২০২০ LBMW সলিসিটর ফার্মের মাধ্যমে আমাদের সলিসিটর ফার্ম RUSSEL-COOKE LLP এর নিকট ট্রাস্টের বিবাদমান ইস্যু মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি (Mediation) করার প্রস্তাব দিয়েছেন। আমাদের সলিসিটর ফার্মের মাধ্যমে এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সকল প্রটোকল রক্ষা করার তাগিদ দেয়া হয়েছে।
এনাম চৌধুরী ট্রাস্টের দু’টি ফান্ড রাইজিং সম্পর্কে মিথ্যা ও মনগড়া তথ্য প্রদান করেছেন আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত আলমগীর হোসেনের জন্য ট্রাস্টের উদ্যোগে উত্তোলিত ৪ লাখ ২৩ হাজার ২৯২ টাকা আলমগীর চিকিৎসা তহবিলের মাধ্যমে প্রদান করা হয়েছে।
বিয়ানীবাজার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে’র উদ্যোগে এবং যুক্তরাজ্যস্থ বিয়ানীবাজার উপজেলার বিভিন্ন কমিউনিটি সংগঠনের সার্বিক সহযোগিতায় রোকনুজ্জামান খান এর চিকিৎসা বাবত ব্যয় করা হয়েছে ৩০ হাজার ১৬৩ পাউন্ড ৭৪ পেন্স।এছাড়া ফান্ডরাইজিং ডিনার আয়োজন করতে ব্যয় হয়েছে ৭ হাজার ৮৬৭ পাউন্ড। ভারতে উন্নত চিকিৎসা ও থাকা খাওয়া বাবত কলকাতার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রুকনের স্হানীয় অভিভাবক আনোয়ার আলী মোল্লা এর নিকট ২৮ হাজার ৮৪০ পাউন্ড ৮৪ পেন্স ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছিল। এছাড়া বাংলাদেশে রুকনকে দেয়া হয়েছিল ১ হাজার ৩২৩ পাউন্ড।যার সকল প্রমাণাদি আমাদের হাতে আছে। এখানে কোন অনিয়ম হয়নি।এটা এনাম চৌধুরী গংদের অপপ্রচার।
এছাড়া এনাম চৌধুরী, ট্রাস্টের FDR বন্ধক রেখে ২৫ লক্ষ টাকা ঋণ নেয়ার কথা বলেছেন। তা সম্পুর্ণ রুপে মিথ্যা ও বানোয়াট।
সম্মানিত সাংবাদিকবৃন্দ,
এখানে আমি এনাম চৌধুরী সম্পর্কে আপনাদের বলতে চাই। তিনি আমাদের একজন সাধারণ সদস্য ।আপনারা নিশ্চয়ই জানেন, অসহায় ও গৃহহীন মানুষের মধ্যে গৃহ নির্মান করে দেয়ার একটি প্রকল্প বিয়ানীবাজার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের আছে।২০১৩-১৫ সালের কমিটির উদ্যোগে বিয়ানীবাজার উপজেলার গৃহ নির্মান প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ১০টি ঘর নির্মাণ করে দেয়ার জন্য ঠিকাদার হিসেবে এনাম চৌধুরীর প্রতিষ্ঠান বৃটিশ বাংলা কনসোর্টিয়াম কে আমরা দায়িত্ব দিয়েছিলাম। তিনি স্বত:প্রণোদিত হয়ে এ ঠিকাদারী নেয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি সঠিক ভাবে ও যথাসময়ে কাজগুলো সম্পাদন করতে পারেন নি।বিভিন্ন অনিয়ম করেন।পরবর্তীতে আমরা নতুন ঠিকাদার দ্বারা এ কাজগুলো সম্পন্ন করতে হয়েছে। এজন্য ট্রাস্টকে কয়েক লক্ষ টাকা আর্থিক খেসারত দিতে হয়েছে। এ নিয়ে লন্ডনে বিয়ানীবাজার কমিউনিটির নেতৃস্হানীয়দের উপস্হিতিতে একটি সালিশ বৈঠক হয়। এতে এনাম চৌধুরীকেও তলব করা হয়েছিল এবং ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়।পরে তিনি সব দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চান।পরবর্তীতে আমাদের শ্রদ্ধেয় মুরববীগণ তিনিকে মাফ করে দেন।
চৌধুরী লন্ডনে বাংলাদেশীদের গর্ব ও মুক্তিযুদ্ধের স্মারক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সেন্টার সম্পর্কে আপত্তিকর ভাষা প্রয়োগ করে বলেছেন, ‘ এই দুর্বৃত্ত চক্র বাংলাদেশ সেন্টার দখল করে নিয়েছে’। কোন সুষ্ঠ মস্তিষ্কের মানুষের ভাষা এরকম হতে পারে না। তাও আবার সংবাদ সম্মেলনে।
এ বিষয়ে আমি আপনাদেরকে বলতে চাই, আমি দু’মেয়াদ ধরে বাংলাদেশ সেন্টারের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছি। এটি কোন চর নয়। এটি দখল করার কোন বিষয় নয়। আমি নির্বাচনের মাধ্যমে এ দায়িত্ব পেয়েছি। পদাধিকার বলে এ সেন্টারের চেয়ারম্যান লন্ডনে নিযুক্ত বাংলাদেশের মান্যবর হাইকমিশনার। জনাব চৌধুরী একজন বৃটিশ বাংলাদেশী। তার জানার কথা বৃটেনে চর দখল করে কোন প্রতিষ্ঠান দখল করা যায় না। এরকম প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পেতে হলে সাংগঠনিক দক্ষতা ও যোগ্যতার প্রয়োজন।
সম্মানিত সাংবাদিকবৃন্দ ,
আপনাদের অবগতির জন্য জানাচ্ছি য়ে, ২০২০ সালের এপ্রিল মাসে বিয়ানীবাজার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে’র দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। নির্বাচনী তফশীল ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু করোনাভাইরাস ও বৈশ্বিক মহামারি এবং প্রায় দীর্ঘ ১০ মাস ধরে লকডাউনের জন্য দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন বাতিল করতে হয়েছে। যুক্তরাজ্যের পরিস্হিতিতি স্বাভাবিক হলে অচিরেই দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন আয়োজন করা হবে।
শ্রদ্ধেয় সাংবাদিকবৃন্দ
আপনারা মুল্যবান সময় নষ্ট করে এ সংবাদ সম্মেলনে উপস্হিত হয়েছেন।এরজন্য আপনাদেরকে আমার ব্যক্তিগত ও বিয়ানীবাজার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে’র পরিচালনা পরিষদের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।




