১৯শে জুলাই থেকে লকডাউন মুক্ত হচ্ছে ব্রিটেন
মো: রেজাউল করিম মৃধা :

ব্রিটেনে লকডাউন পুরোপুরি তুলে নেওয়ার জন্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শকে গুরুত্ব না দিয়েই সরকারের রোড ম্যাপ অনুযায়ী লকডাউন পুরোপুরি তুলে নিতে যাচ্ছে সরকার।
বৃহস্পতিবার ব্রিটেনে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ২২ জনের এবং আক্রান্ত হয়েছে ২৭,৯৮৯ জন মানুষ করোনায় সংক্রমিত হওয়া সত্ত্বেও ইংল্যান্ডে আগামী ১৯ জুলাই থেকে প্রায় সকল ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন নতুন হেলথ সেক্রেটারী সাজিদ জাভিদ। তিনি বলেন, ১৯শে জুলাই বিধিনিষেধ পুরোপুরি তুলে না নেওয়ার ক্ষেত্রে কোন কারন দেখছেন না। নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার ক্ষেত্রে ঝুকি শুন্যের কোঠায় নেমে আসবে তা মনে করলেও তিনি বলেন কভিড নিয়েই আমাদের বেঁচে থাকতে হবে।
তবে ইংল্যান্ডের মেডিক্যাল অফিসার ক্রিস্ট ওয়েথি ও সরকারের চীফ এডভাইজার পাট্রিক ভ্যালান্স সরকারের এই সিদ্ধান্তের সাথে দ্বিমত পোষন করে বলেন, দিন দিন করোনার আক্রান্ত বাড়ছে এবং আগামী শীতকালে এর ভয়াবহতা আরো বেড়ে যাবে। তাই পুরোপুরি লকডাউন তুলে নেওয়া সরকারের উচিত হবে না।
ব্রিটেনে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও মৃত্যু কমে আসায় এই সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার। তাছাড়া গণহারে ভ্যাকসিন কর্মসূচি পরিচালিত করায় এর সুফলতা দেখতে পাচ্ছে সরকার।
এদিকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনও একই কথা বলেছেন। দেশের কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে এবারই সবচেয়ে আস্থার সঙ্গে এমন কথা বললেন জনসন। করোনাভাইরাস সংক্রমণ আবার বাড়তে থাকায়, বিশেষত অতি সংক্রামক ডেল্টা ধরনের বিস্তারের কারণে সরকার ২১শে জুনের পরিবর্তে কোভিড বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার সময় ১৯ জুলাই পর্যন্ত পিছিয়ে দিয়েছে।
বরিস জনসন আরো বলেন, একটি করে দিন যাচ্ছে আর আমার এবং বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টাদের কাছে এটাই স্পষ্ট হচ্ছে যে, ১৯ জুলাইয়েই আমরা বিধিনিষেধের অবসান ঘটিয়ে জীবনে ফেরা, কোভিডের আগে যেমনটি ছিল, যতদূর সম্ভব সেই জীবনে ফেরার কথা বলতে পারার মতো অবস্থানে চলে যাওয়ার আশা ব্যাক্ত করেন।
লকডাউন তুলে নিলেও পাবলিক প্লেসে ও যানবাহনে সামাজিক দূরুত্ব বজায় রাখা এবং মুখে মাক্স ব্যাবহারের নিয়ম অব্যহত থাকবে।




