যুক্তরাজ্যে এ লেভেল পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ
মো : রেজাউল করিম মৃধা :

১০ই আগস্ট ২০২১। প্রকাশিত হলো বহুল আকাংক্ষিত এ লেভেল পরীক্ষার ফলাফল। কেননা এই পরীক্ষার ফলাফলের উপর নির্ভর করে ভবিষ্যত। এই বছর সর্বোচ্চ এ স্টার এবং এ গ্রেডে পাশের হার নিয়ে যুক্তরাজ্যে এ লেভেল পরীক্ষায় ফলাফল প্রকাশিত হয়। অন্যান্য যে কোন বছরের ফলাফলের চেয়ে এবার সব চেয়ে বেশী এ স্টার এবং এ গ্রেডে পাশের হার বেশী।
এই বছর এ স্টার এবং এ গ্রেড পেয়েছে শতকরা ৪৪.৮ ভাগ। কিন্তু গত বছর পেয়েছিলো ৩৬.৫ ভাগ।
ইংল্যান্ড, ওয়েল্স এবং নর্দান আইল্যান্ডের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিবাবকরা আনন্দিত উৎফল্লিত হয়েছে। তবে এ ফলাফল মেনে নিতে পারছে না স্কটল্যান্ড।
দি স্কটিশ কুয়ালিফিকেশন অথরিটি (SQA) জরিপ মতে যেহেতু শিক্ষা প্রতিষ্টানের শিক্ষকরাই মক এক্সাম এবং ক্লাসের বিভিন্ন পরীক্ষার নম্বরের উপর নির্ভর করে নাম্বার নিয়েছে তাই শিক্ষার্থীদের মেধার সঠিক মূল্যায়ন হয় নাই।
ব্রিটিশ এডুকেশন সেক্রেটারি গ্যাভিন উলিয়ামসন বলেন, এ লেভেলে এত ভালো রেজাল্ট পূর্বে কখনো হয় নাই। করোনাভাইরাস মহামারিতে শিক্ষার্থীরা বেশী বেশী লেখাপড়া করে পরীক্ষায় ভালো করেছে। পরবর্তীতে এই শিক্ষার্থীরা আরো ভালো করবে । মেধাবী এই শিক্ষার্থীরাই দেশের সম্পদ।
তবে লেবার শেডো এডুকেশন সেক্রেটারি কেইট গ্রীন সরকারের সমালোচনা করে বলেন, এই ভাবে সব শিক্ষার্থীদের মেধা বিচার না করিয়ে নিজ শিক্ষা প্রতিষ্টানের শিক্ষার্থীদের বেশী নাম্বার দিয়ে তাদের ভবিষ্যতকে সমস্যায় ফেলে দিচ্ছে। এই ব্যর্থতা সরকার এড়াতে পারে না।
দি এডমিশন সার্ভিস ইউকাসের তথ্য অনুযায়ী ৩ লাখ ৯৬ হাজার শিক্ষার্থী তাদের প্রথম চয়েসে ভর্তি হয়েছেন।
ন্যাশনাল এসোসিয়েশন অফ হেড টিচার্স এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে ২০২১ সালের এ লেভেল পরীক্ষার ফলাফল অন্যান্য বছরের পরীক্ষার ফলাফলের সাথে তুলনা করলে হবে না। এই করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে বিশেষণের এবং সরকারের সকল নিয়মনীতি মেনে কখনো সরাসরি ক্লাসে আবার কখনো অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। এক প্রতিকূলতার মাঝেও শিক্ষা কার্যকর্ম পরিচালিত হয়েছে এটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রীত হলে, আবার স্বাভাবিক জীবন ফিরে আসলে এই পরীক্ষা পদ্ধতি আবার পূর্বের মতো হবে।
২০১৯ সালের চেয়ে এই বৎসর পাশের হার শতকরা ১৩ ভাগ বেশী। নর্দান আইল্যান্ড এ স্টার এবং এ গ্রেড এ পাশ করেছে ৫০.৮ ভাগ এবং ইংল্যান্ডে ৪৪.৩ ভাগ। পাশের হার ৮৮.২ ভাগ ।
ইংল্যান্ডে ৫৭ ভাগ ছাত্রীরা এ স্টার এবং এ গ্রেট পেয়েছে। ছাত্রদের চেয়ে পরীক্ষার ফলাফলে ছাত্রীরা এগিয়ে।




