ভোট দিতে পারেন নি আতিক : এজেন্টদের মারধর, জোরপূর্বক নৌকায় ভোট দেয়ার অভিযোগ

Published: 4 September 2021

সিলেট অফিস :


কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে না পেরে ফিরে গেছেন সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আতিকুর রহমান আতিক। ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) আঙ্গুলের চাপ সংক্রান্ত জটিলতার কারণে তিনি ভোট দিতে পারেননি।

তবে নির্বাচন কর্মকর্তারা ঘন্টা দু’য়েক পর তাকে আবারও ভোট দিতে কেন্দ্রে আসার অনুরোধ জানিয়েছেন।

আতিকুর রহমান আতিক জানান, শনিবার সকাল ১০টার দিকে আতিক রেবতি রমন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে যান। এসময় তার আঙ্গুলের চাপ না মিলায় তিনি ভোট দিতে পারেননি।

এসময় কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা দেড়-দুই ঘণ্টা পরে আবারও আসার জন্য জাপার প্রার্থী আতিককে অনুরোধ করেন।

তবে আতিক ভোট দিতে না পারলেও নৌকার প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শফি আহমেদ চৌধুরী তাদের নিজ নিজ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন।

সকালে দক্ষিণ সুরমার কামাল বাজার সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব আর স্বতন্ত্র প্রার্থী শফি আহমেদ চৌধুরী দাউদিয়া গৌছ উদ্দিন সিনিয়র মাদ্রাসায় ভোট প্রদান করেন।
এদিকে সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচন নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী আতিকুর রহমান আতিক। মারধর করে এজেন্টকে বের করে দেয়া, ভয়ভীতি দেখিয়ে ভোটারদের ফিরিয়ে দেয়া ও কোন কোন কেন্দ্রে লাঙ্গলের ভোটারদের জোরপূর্বক নৌকায় ভোট দিতে বাধ্য করার অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

শনিবার দুপুরে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এমন অভিযোগ করেন। নির্বাচন নিয়ে তার অভিযোগ রিটার্নিং অফিসারের কাছেও করেছেন বলে জানান আতিক।

আতিক জানান, ফেঞ্চুগঞ্জের ৭টি কেন্দ্র আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দখল করে নিয়েছেন। পিটাইটিকর, কাসিম আলী স্কুল ও চন্ডিবাজারসহ অন্যান্য কেন্দ্রগুলো থেকে লাঙ্গলের এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেয়া হয়েছে। ভোটারদেরও মারধর ও ভয়ভীতি দেখিয়ে কেন্দ্র থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে।

আতিকের অভিযোগ, দক্ষিণ সুরমার কুচাই শ্রীরামপুর সেন্টার থেকে লাঙ্গলের এজেন্ট বের করে দেয়া হয়েছে। লাঙ্গলের ভোটারদের জোর করে নৌকায় ভোট দেয়ানো হয়েছে।