আওয়ামী সরকারের ফ্যাসিবাদীতা স্বৈরশাসনকেও হার মানিয়ে চলেছে -সিলেট নগর জামায়াত

Published: 7 September 2021

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি :


সিলেট মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেছেন, ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও আওয়ামী সরকারের ফ্যাসিবাদীতা স্বৈরশাসনকেও হার মানিয়ে চলেছে। দেশ পরিচালনায় সরকারের ব্যর্থতা আড়াল করতেই ঘরোয়া পরিবেশে নিয়মতান্ত্রিক দলীয় কর্মসূচী থেকে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী জেনারেল সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান ও হামিদুর রহমান আযাদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য আবদুর রব, অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ ও মোবারক হোসাইন এবং ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ইয়াসিন আরাফাতসহ ১০ নেতাকর্মীকে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে আটক করা হয়েছে। শান্তিপূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করা সকল জনগণের নাগরিক ও সাংবিধানিক অধিকার। এ অধিকার থেকে বঞ্চিত করার এখতিয়ার কারো নেই।
তারা বলেন, স্বৈরশাসন চালিয়ে গায়ের জোরে বেশি দিন ক্ষমতায় টিকে থাকা যায় না। অতীতে জেল-ফাঁসি সীমাহিন নির্যাতন চালিয়েও জামায়াত ইসলামীকে দমিয়ে রাখা যায়নি। সকল জুলুম উপেক্ষা করে জামায়াত জনগণের ন্যায় সংগত অধিকার আদায়ের আন্দোলন চালিয়ে যেতে বদ্ধ পরিকর। অবিলম্বে মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ অন্যায়াভাবে আটক সকল রাজবন্দীদের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।
মঙ্গলবার জামায়াত কেন্দ্র ঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচীর অংশ হিসেবে সেক্রেটারী জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়াসহ ১০ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতারের প্রতিবাদে সিলেট মহানগর জামায়াত নগরীতে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা উপরোক্ত কথা বলেন।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহা¤মদ ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী মোহাম্মদ শাহজাহান আলীর পরিচালনায় মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, জামায়াত নেতা মুফতী আলী হায়দার, মুহাম্মদ আজিজুল ইসলাম, শফিকুল আলম মফিক, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সিলেট মহানগরী সভাপতি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ও সিলেট জেলা পূর্বের সভাপতি মনসুর আহমেদ প্রমূখ।
নেতৃবৃন্দ বলেন, একটি নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামী দেশে বিদ্যমান ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতিতে জনগণের পাশে ছিল, আছে এবং থাকবে। সরকার জনগণের দৃষ্টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতেই জামায়াত নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতারের ঘৃণ্য খেলায় মেতে উঠেছে। কিন্তু ইতিহাস স্বাক্ষী জেল-জুলুম, হত্যা, খুন-গুম, নিপীড়ন চালিয়ে জামায়াতের অগ্রযাত্রাকে দমিয়ে রাখা যায়নি। সরকারের জুলুম নিপীড়ন স্বত্তেও জামায়াত একটু সময়ের জন্যও রাজপথ থেকে সরে যায়নি। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে সকল ষড়যন্ত্র ও জুলুম-নিপীড়ণ বন্ধ করে অন্যায়ভাবে আটক জামায়াতের সেক্রেটারী জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান ও হামিদুর রহমান আজাদসহ ১০ জন নেতাকর্মীকে অবিলম্বে মুক্তি দিন।