লিভারপুলের গোল বন্যা, হলান্ডের হ্যাটট্রিক
পোস্ট ডেস্ক :

১৯৯৫ সালে ম্যানইউ ৯-০ গোলে হারিয়েছিল ইপসউইচকে। ২৭ বছর পর প্রিমিয়ার লিগে সবচেয়ে বড় জয়ের সেই রেকর্ড স্পর্শ করল লিভারপুল। শনিবার অ্যানফিল্ডে একই ব্যবধানে তারা বিধ্বস্ত করেছে নবাগত বোর্নমাউথকে।
দুটি ড্র ও ম্যানইউর কাছে হারের পর এমন জয় দিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোটা জরুরি ছিল অলরেডদের জন্য। লিভারপুলের প্রথম জয়ের কারিগর রবার্তো ফিরমিনো ও লুইস দিয়াজ। দুজনই দুটি করে গোল করেন। একবার করে বল জালে পাঠান এলিয়ট, আলেকজান্দার-আরনল্ড, ভার্জিল ভ্যান ডিক এবং ফ্যাবিও কারভালহো।
অপর গোলটি আত্মঘাতী। এদিকে আর্লিং হলান্ডের হ্যাটট্রিকে চ্যাম্পিয়ন ম্যানসিটি প্রথমে দুটি গোল হজম করেও ৪-২ ব্যবধানে জয়ী হয় ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে। প্রিমিয়ার লিগে এ নিয়ে চার ম্যাচে ছয়
গোল করলেন নরওয়ের স্ট্রাইকার হলান্ড। ৬২, ৭০ ও ৮১ মিনিটে গোল তিনটি করেন হলান্ড। সিটির অপর গোল বার্নার্দো সিলভার।
টানা দুই হারে নতুন মৌসুম শুরুর পর গত সপ্তাহে লিভারপুলকে হারিয়ে ঘুরে দাঁড়ায় ম্যানইউ। কাল সাউদাম্পটনকে ১-০ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় পেল এরিক টেন হাগের দল। ৫৫ মিনিটে দুর্দান্ত এক গোলে ম্যানইউকে তিন পয়েন্ট এনে দেন পর্তুগিজ মিডফিল্ডার ব্রুনো ফার্নান্দেস। এদিনও শুরুর একাদশে জায়গা হয়নি ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর। দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসাবে নেমেও কিছু করতে পারেননি পর্তুগিজ তারকা। ৮০ মিনিটে এলাঙ্গার বদলি হিসাবে ম্যানইউর জার্সিতে অভিষেক হয় ব্রাজিলীয় মিডফিল্ডার কাসেমিরোর।
একইদিন রাহিম স্টালিংয়ের জোড়া গোলে দশজনের চেলসি ২-১ ব্যবধানে জয়ী হয় লেস্টার সিটির বিপক্ষে। ব্ল–জদের হয়ে চতুর্থ ম্যাচে এই প্রথম গোল পেলেন স্টার্লিং। চেলসির অপর গোল গ্যালাহারের। লাল কার্ড পান তিনি। টেবিলের প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যথাক্রমে ম্যানসিটি ও ব্রাইটন। দুদলেরই পয়েন্ট সমান ১০। চেলসি (৭), ম্যানইউ (৬) ও লিভারপুল (৫) যথাক্রমে ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম স্থানে।




