স্কুলের শৌচাগারেই শিশুপুত্রের জন্ম দিল নবম শ্রেণির ছাত্রী

Published: 30 August 2025

পোস্ট ডেস্ক :


সরকারি আবাসিক স্কুলের নবম শ্রেণির ১৭ বছর বয়সী এক ছাত্রী স্কুলের শৌচাগারে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দিয়েছে। স্কুলে থাকাকালীন আচমকাই পেটে অসহ্য ব্যথা শুরু হয় তার। আর তারপর স্কুলের শৌচাগারেই শিশুপুত্রের জন্ম দেয় ওই কিশোরী। ২৭ আগস্ট দুপুর ২টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে কর্নাটকের ইয়াদ্গিরির এক স্কুলে। ওই নাবালিকার সহপাঠী স্কুল কর্তৃপক্ষকে ঘটনার কথা জানায়। কিশোরী ও সদ্যোজাত দু’জনকেই দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। দাবি, শিক্ষাবর্ষের শুরু থেকেই নাকি স্কুলে অনিয়মিত ছিল ওই নাবালিকা

অভিযোগ, প্রায় ন’মাস আগে যৌন হেনস্থার শিকার হয় সে। যদিও, প্রাথমিকভাবে এই ঘটনা এবং অভিযুক্তের কারওর বিষয়েই কিছুই জানাতে চায়নি নির্যাতিতা। নাবালিকার দাবি, স্কুলের শৌচাগারে সে পেটে অসহ্য ব্যথা অনুভব করে। তারপর সেখানেই সন্তানের জন্ম দেয়। কর্নাটকের শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশন এই বিষয়ে রিপোর্ট তলব করেছে। প্রাথমিকভাবে, প্রচণ্ড মানসিক চাপের মধ্যে থাকা ওই নাবালিকা ঘটনার বিস্তারিত তথ্য বা জড়িত ব্যক্তির নাম প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তদন্তে ২৮ বছরের এক তরুণের নাম উঠে আসছে বলে পুলিশের দাবি। ওই ছাত্রী সুস্থ হলে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

জেলা শিশু সুরক্ষা কর্মকর্তার অভিযোগের ভিত্তিতে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যৌন অপরাধ থেকে শিশুদের সুরক্ষা (POCSO) আইন এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতার প্রাসঙ্গিক ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অন্যদিকে পুলিশ জানিয়েছে, স্কুল কর্তৃপক্ষ অথবা নাবালিকার দাদা কেউই ঘটনার কথা পুলিশকে জানানোর প্রয়োজন মনে করেননি। হোস্টেলের ওয়ার্ডেন, স্কুলের অধ্যক্ষ, স্টাফ নার্স এবং নাবালিকার দাদার বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা এবং পকসো আইনে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি, কর্ণাটক রেসিডেন্সিয়াল ইনস্টিটিউশন সোসাইটি স্কুলের ওই চার কর্মীকে সাসপেন্ড করেছে। তাদের বিরুদ্ধে কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগ, নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও ছাত্রীদের নিয়মিত শারীরিক পরীক্ষা করা হয়নি।

সূত্র: এনডিটিভি