মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্যকর্ম আজও আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায় : প্রধান উপদেষ্টা
পোস্ট ডেস্ক :

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্যকর্মে মানবিক চেতনা, মুক্তবুদ্ধি ও সৃজনশীলতার যে দীপ্ত প্রকাশ, তা আজও আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায়।’
আগামীকাল ‘মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ২০২তম জন্মবার্ষিকী’ উপলক্ষে আজ শনিবার দেওয়া এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “বাংলা সাহিত্যের অন্যতম দিকপাল, ‘মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ২০২তম জন্মবার্ষিকী’ উপলক্ষে যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার সাগরদাড়ী গ্রামে ২৫ জানুয়ারি মধুসূদন জন্ম উৎসব পালিত হবে জেনে আমি আনন্দিত।”
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত এক উজ্জ্বল নাম। তার সাহিত্যকর্ম ও সৃজনশীলতা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে আধুনিকতার নতুন দিশা দেখিয়েছে।
এ মহান সাহিত্যিককে স্মরণ করার এ আয়োজন নিঃসন্দেহে একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এ আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আমি শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানাই।’
তিনি বলেন, ‘মহাকবি অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তন, মহাকাব্যিক রচনাশৈলী ও নাট্যসাহিত্যে নতুন ধারা প্রবর্তনের মাধ্যমে বাংলা ভাষাকে বিশ্ব দরবারে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন। তার মহাকাব্য, নাটক ও কাব্যগ্রন্থে মানবিক মূল্যবোধ, দেশপ্রেম এবং মুক্তচিন্তার প্রতিফলন দেখা যায়।
তার সাহিত্যকর্ম আজও আমাদের চিন্তা ও সৃজনশীলতাকে সমৃদ্ধ করছে।’
প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘মধুসূদন জন্ম উৎসবের আয়োজন নতুন প্রজন্মকে মহাকবির জীবন ও সাহিত্য সম্পর্কে জানার সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং সাহিত্যচর্চায় আগ্রহী করবে। একই সঙ্গে এটি আমাদের সাংস্কৃতিক পরিচয়কে সংরক্ষণ ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আমি আশা করি।’
প্রধান উপদেষ্টা ‘মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্ম উৎসব’ উপলক্ষে আয়োজিত সব অনুষ্ঠানের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।




