জুলাই বিপ্লববিরোধী ইবির ৩০ শিক্ষক-কর্মকর্তার শাস্তি মওকুফ
পোস্ট ডেস্ক :

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনবিরোধী নানা ভূমিকায় থাকার অভিযোগে বরখাস্ত হওয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ১৯ শিক্ষক ও ১১ কর্মকর্তা-কর্মচারীর শাস্তি মওকুফ করা হয়েছে। বুধবার (১৮ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন এক সিন্ডিকেট সদস্য। তবে একই অপরাধে বহিষ্কৃত ৩৩ শিক্ষার্থীর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সিন্ডিকেট সদস্য কালের কণ্ঠকে জানান, আজ অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় সবার মতামতের ভিত্তিতে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের শাস্তি মওকুফের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
তবে বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
এর আগে ৩০ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭১তম সিন্ডিকেট সভায় জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের বিরুদ্ধে অবস্থানকারী ১৯ জন শিক্ষক, ১১ জন কর্তকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। একই অপরাধে জড়িত থাকায় ৩৩ জন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার ও সনদ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
শাস্তি মওকুফ হওয়া শিক্ষকরা হলেন—ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান, ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্মন, অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. দেবাশীষ শর্মা, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. বাকী বিল্লাহ ও অধ্যাপক ড. রবিউল হোসেন, হিসাববিজ্ঞান ও তথ্যপদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী আখতার হোসেন ও অধ্যাপক ড. শেলীনা নাসরিন, ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এ এইচ এম আক্তারুল ইসলাম ও অধ্যাপক ড. মিয়া রাসিদুজ্জামান, ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আরফিন, ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. তপন কুমার জোদ্দার, আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহজাহান মণ্ডল ও অধ্যাপক ড. রেবা মণ্ডল, মার্কেটিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাজেদুল হক, ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আফরোজা বানু, আল-ফিকহ অ্যান্ড ল বিভাগের অধ্যাপক ড. আমজাদ হোসেন, ল অ্যান্ড ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মেহেদী হাসান এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জয়শ্রী সেন।




