পাকিস্তান বৈঠকের পর ট্রাম্পের নীরবতা, কূটনীতি না যুদ্ধের ইঙ্গিত

Published: 12 April 2026

পোস্ট ডেস্ক :


পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা শেষ হলেও এখনো পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তার এই নীরবতাকে অনেকেই ‘অস্বাভাবিকভাবে উদ্বেগজনক’ হিসেবে দেখছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আগের আলোচনাগুলো বহু বছর ধরে চলেছে, যেমন ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি। কিন্তু এবার পরিস্থিতি আরও জটিল, কারণ যুদ্ধের কারণে নতুন কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির বিষয়টি।

ইসলামাবাদের সংলাপ শেষ হলেও এখন বড় প্রশ্ন হলো- কূটনীতি কি এখানেই শেষ, নাকি আবার নতুন করে আলোচনা শুরু হবে? এই প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করছে মূলত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের অবস্থানের ওপর, কিন্তু এখনো তিনি এ বিষয়ে কিছু বলেননি।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, আলোচনায় কোনো চূড়ান্ত ফল পাওয়া যায়নি, তবে যুক্তরাষ্ট্র টেবিলে একটি প্রস্তাব রেখেছে, যা ইরান চাইলে বিবেচনা করতে পারে।
তবে ট্রাম্প কী বলবেন, সেটিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ কয়েক দিন আগেই তিনি সামাজিক মাধ্যমে কঠোর হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, একটি সম্পূর্ণ সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। সেই প্রেক্ষাপটে তার বর্তমান নীরবতা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলছে।

বর্তমানে যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে, যার মেয়াদ এখনও প্রায় ১০ দিন বাকি। পাকিস্তানসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বেশিরভাগ দেশই চাইছে এই যুদ্ধবিরতি পুরো সময় পর্যন্ত বজায় থাকুক।
সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এখন এক সংবেদনশীল মোড়ে দাঁড়িয়ে। একদিকে কূটনীতির সম্ভাবনা, অন্যদিকে আরও ভয়াবহ যুদ্ধের ঝুঁকি। বিশ্বজুড়ে তাই বাড়ছে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা।