লন্ডনে করোনা রোগী বহনে ব্যবহার হবে বাস

Published: 24 January 2021, 6:04 AM

পোস্ট ডেস্ক : করোনাভাইরাসের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়াতে লন্ডনে এনএইচএস কর্মীরা বাস ব্যবহার করে রোগীদের পরিবহণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

বাসগুলো অস্থায়ী অ্যাম্বুলেন্সে রূপান্তরিত করা হয়েছে। হাসপাতাল ও লন্ডন অ্যাম্বুলেন্স পরিসেববাগুলোর তীব্র চাপ থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য প্রতিটি সিঙ্গেল ডেকার বাসের বেশিরভাগ আসন সরিয়ে নেওয়া হয়েছে যাতে প্রত্যেকে চারজন রোগী বহন করতে পারে। পরিবহণ মালিকানাধীন বাস সংস্থা গো-অ্যাহেড, তাদের পুনরায় খোলা লন্ডন নাইটিংগেল ফিল্ড হাসপাতালেসহ রোগীদের স্থানান্তর করতে সহায়তা করার জন্য এই উদ্যোগ নিয়েছে। তারা এই সেবায় এনএইচএস-এ বিশেষ করে নিবিড় পরিচর্যাতে কাজ করার পাশাপাশি সেন্ট জন অ্যাম্বুলেন্সের প্রাথমিক চিকিৎসায় সংশ্লিষ্ট স্বেচ্ছাসেবক, চিকিৎসক এবং নার্সদের নিযুক্ত করবেন।

গো-অ্যাহেড যানবাহনের জন্য চারজন ড্রাইভারও নিয়োগ দিয়েছে। বাসগুলো এমনভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে যাতে রোগীদের স্থিতিশীল রাখতে এবং তাদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে গুরুত্বপূর্ণ ইনফিউশন পাম্প এবং মনিটরসহ গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা সরঞ্জামগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে।

বাসগুলোতেও অক্সিজেনের ব্যবস্থা থাকবে। যানবাহনগুলো তাদের ব্যাটারি থেকে প্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক সরঞ্জামগুলো চার্জ করতে সক্ষম হবে। ভ্রমণের সময় যেসব রোগীদের প্রয়োজন হবে, তাদের শ্বাস নিতে বা শিরাতে ওষুধ সরবরাহ করতে সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে।

আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই এই স্থানান্তর প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে ইন্ডিপেন্ডেন্ট তাদের এক প্ররিবেদনে প্রকাশ করেছে। প্রাথমিকভাবে লন্ডনের হাসপাতালের রোগীদের ছাড়পত্র দেওয়ার আগেই ‘স্টেপ-ডাউন’ যত্ন নেওয়ার জন্য এক্সেল সেন্টারের নাইটিঙ্গেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর গত সপ্তাহে হাসপাতালটি আবার চালু হয়েছিল। তবে প্রথম তরঙ্গের বিপরীতে কভিডের সাথে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের চেয়ে কম অসুস্থ রোগীদের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।

এনএইচএসের কোনো অংশের রোগীদের আশপাশে সরানোর জন্য এই জাতীয় বিশেষভাবে অভিযোজিত বাসগুলোর ব্যবহার এই প্রথম।

বাসগুলো পার্ক করে রোগীদের সংগ্রহ করতে পারে এবং তাদের অগ্রাধিকার দিতে দক্ষিণ লন্ডনে কিংস কলেজ এবং গে হাসপাতালের বাইরে ডেডিকেটেড স্টপেজ তৈরি করা হয়েছে। বাসগুলোকে ‘এনএইচএস রোগী পরিবহন’ বলা হচ্ছে এবং স্বাস্থ্যসেবার লোগোসহ বড় স্টিকার বহন করবে।