সৌদি আরবে ভিক্ষা বন্ধে জেল, জরিমানাসহ কঠোর আইন

Published: 26 September 2021

পোস্ট ডেস্ক :


ভিক্ষাবৃত্তির বিরুদ্ধে নতুন করে কঠোর আইন অনুমোদন দিয়েছে সৌদি আরব। এ জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে এক বছরের জেল এবং এক লাখ রিয়াল জরিমানার কথা বলা হয়েছে। অনলাইন গালফ নিউজে প্রকাশিত এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, নতুন এই আইনের নাম দেয়া হয়েছে এন্টি-বেগিং ল’ বা ভিক্ষাবৃত্তির বিরুদ্ধে আইন। মন্ত্রীপরিষদ এই আইন অনুমোদন দিয়েছে। যেকোনো ব্যক্তিকে ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়িত দেখলে, ভিক্ষুকদের ম্যানেজের সঙ্গে জড়িত থাকলে অথবা ভিক্ষুকদের গ্রুপের সংগঠনকে সহায়তা করলে, তাদের বিরুদ্ধে এই আইনের অধীনে শাস্তি প্রয়োগ করা যাবে। যদি কাউকে দেখা যায় ভিক্ষাবৃত্তিকে উৎসাহিত করছেন অথবা যেকাউকে ভিক্ষায় উৎসাহিত করছেন, তাহলে তাকে সর্বোচ্চ ৬ মাসের জেল দেয়া হতে পারে অথবা অনধিক ৫০ হাজার রিয়াল জরিমানা অথবা উভয় দ-ে দ-িত করা যেতে পারে।

এই আইনের অধীনে সৌদি আরবের নাগরিক নন এমন ভিক্ষুকদেরকে জেলের মেয়াদ শেষে এবং জরিমানার অর্থ পরিশোধের পর নিজের দেশে ফেরত পাঠানো হবে। তাদেরকে কাজের জন্য আর কখনো সৌদি আরবে ফিরতে অনুমোদন দেয়া হবে না।

জীবনে অনেক ন্যাপি পাল্টিয়েছি, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্বীকার করলেন তিনি ছয় সন্তানের বাবা
তবে সৌদি আরবের ভিক্ষুক নন এমন ব্যক্তি যদি কোন সৌদি নারীর স্বামী বা সন্তান হন, তাহলে তাদেরকে দেশ থেকে বের করে দেয়া হবে না। আইন অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তিকে ভিক্ষাবৃত্তির জন্য একাধিকবার গ্রেপ্তার করা হয় তাহলে তাকে শাস্তি দেয়া হবে। আইনটি প্রয়োগের যথাযথ কর্তৃপক্ষ হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই আইনের চতুর্থ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট এজেন্সিগুলোর সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচিত সৌদি আরবের ভিক্ষুকদের সামাজিক, স্বাস্থ্য, মানসিক এবং অর্থনৈতিক অবস্থা পর্যালোচনা করা এবং এসব সমস্যা সমাধানে সমর্থন দেয়া। ২০১৮ সালে সৌদি আরবে মোট ২৭১০ জন ভিক্ষুককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এ তথ্য মানব সম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রকাশিত একটি রিপোর্টের। এসব ভিক্ষুকের শতকরা প্রায় ৭৯ ভাগ অর্থাৎ ২১৪০ জনই নারী। আর পুরুষ শতকরা প্রায় ২১ ভাগ। তাদের মোট সংখ্যা ৫৭০।