ঝালকাঠিতে তৃতীয় শ্রেণির মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ, অত:পর….
বিশেষ সংবাদদাতা :

ঝালকাঠির নলছিটিতে তৃতীয় শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর এলাকাবাসীর তোপের মুখে অভিযুক্ত আলম খান আলো (৫০) ওই ছাত্রীর পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা বললেও তা না দিয়েই পালিয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, মেয়েটির বাবা একজন রিকশাচালক। তিনি স্ত্রীকে নিয়ে বরিশালে থাকেন। নানির কাছে পড়ালেখা করে সে। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে আসলে নানী তাকে ভাত খেতে দিয়ে জরুরী কাজে বের হয়। এ সুযোগে অভিযুক্ত আলম খান আলো ঘরের ভেতরে ঢুকে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। মেয়েটির চিৎকার শুনে নানী আসলে অভিযুক্ত আলো চলে যায়। আলো উপজেলার মেরুহার গ্রামের মৃত হোসেন আলীর ছেলে।
বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মাধ্যমে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে আলো। কিন্তু এতে কোন লাভ হয় না। পরে বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সালিশি বসে। বৈঠক শেষে উপস্থিত লোকজনের সামনেই ১০টি জুতার বাড়ি দেওয়া হয় অভিযুক্তকে। এরপর ৫০ হাজার টাকা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে চলে যান আলো। এর পর থেকেই গা ঢাকা দেয় আলো, তার মুঠোফোনটিও বন্ধ করে রাখে।
এ ব্যাপারে নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান বলেন, আমি ঘটনা শুনে মেয়েটির পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তারা প্রথমে বিষয়টি অস্বীকার করেছিল, এখন আবার ঘটনা নিয়ে কথাবার্তা হচ্ছে, তাই আবারো পুলিশ পাঠিয়েছি। আমাদের অফিসার তদন্ত করে আসার পরে বিস্তারিত জানা যাবে। তবে ধর্ষণের ঘটনা কোনক্রমেই স্থানীয়ভাবে মিমাংসাযোগ্য নয়, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




