জুড়ীতে ৫ বছর আগে মূল্য পরিশোধ করেও কেনা ভুমির কাগজ পাননি ইউপি সচিব

Published: 4 December 2021, 1:00 PM

বিশেষ প্রতিনিধি :

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার মন্ত্রীগাঁও গ্রামের বাসিন্দা ফুলতলা ইউপি সচিব মোহাম্মদ তারা মিয়া ৪১ শতক ভুমি তার ভোগদখলে বিদ্যমান রয়েছেন। ৫ বছর পূর্বে মূল্য নিয়েও ভুমির লীজ ট্রান্সফার করে দিচ্ছেনা ভুমি বিক্রেতা গোয়াল বাড়ির বাসিন্দা আজির উদ্দিন ও কামাল উদ্দিন গংরা। এ বিষয় ইউপি সচিব মোহাম্মদ তারা মিয়া মৌলভীবাজার আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন আজির উদ্দিন গংদের বিরুদ্ধে।

গত মঙ্গলবার ঘটনাস্থলে গেলে প্রত্যক্ষদর্শী ও আসে পাশের লোকজনের মধ্যে ডাক্তার সাইফ উদ্দিন সেলিম, জমসেদ আলী, বদরুল হোসেন সাইন, মসাইদ আলী, ফিরোজ আলী, লকুছ মিয়া, শাহাব উদ্দিন, এলাইছ মিয়া, ছরকুম আলীসহ আরও অনেকে জানান, ২০১৬ সাল থেকে আজির গংরা লিখিত ষ্ট্যাম্পসহ বিভিন্নভাবে লীজ টান্সফার করে দিবে মর্মে ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা নেন। তফসিল বর্ণিত ভুমি মৌজা মন্ত্রীগাঁও জেল নং ১৬৪/৭৩, খতিয়ান নং ২২৯/১ দাগ নং ২৫৬/৩২৩, সাইল রকম ৪১ শতক ভুমি মেহাম্মদ তারা মিয়ার ভোগ দখলে রয়েছে। লিজ ট্রান্সফার করে দিচ্ছেনা আজির উদ্দিন ও কামাল উদ্দিন গংরা। উক্ত ভুমিতে ধান চাষাবাদের উপযোগী করার লক্ষ্যে মাটি ভরাট, দোকান ঘর তৈরীসহ আর ও প্রায় ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা খরছ করেন। লীজ ট্রান্সফার করে না দেয়ার কারনে, অবশেষে ন্যায় বিচারের আশায় মৌলভীবাজার আদালতে ইউপি সচিব মেহাম্মদ তারা মিয়া বাদী হয়ে গোয়াল বাড়ির বাসিন্দা নিমার আলীর পুত্র আজির উদ্দিন ও কামাল উদ্দিন গংদের বিরোদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ প্রদান করেন আদালত, জুড়ী থানার পুলিশকে, জুড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম উল্লেখিত ভুমির আসপাশের বাসিন্দাদের স্বাক্ষী না নিয়ে বিবাদীদের প্ররোচনায় ৭ থেকে ৮ কিলোমিটার দুরবর্তী পুর্বজুড়ী ইউনিয়ন থেকে বিবাদীদের বানানো মনোনীত স্বাক্ষী দিয়ে আদালতে মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।

ইউপি সচিব মোহাম্মদ তারা মিয়া জানান, উল্লেখিত ৪১ শতক ভুমি ২০১৬ সাল থেকে আমার ভোগ দখলে রয়েছে, এবং উক্ত ভুমিতে মাটি ভরাট ও দোকান ঘর নির্মান করি কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা তার প্রতিবেদনে সত্যতা উল্লেখ করেননি। বিবাদীরা আমার নামে লিজ টান্সফার করে দিচ্ছেনা এর জন্য আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি। এ বিষয় জুড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম জানান, ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা বিবাদীরা স্বীকার করেছে কিন্তু বাদী মোহাম্মদ তারা মিয়া টাকা ফেরত নিতেছেন না বলে বিবাদীরা জানিয়েছে।

  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    1
    Share