যুক্তরাষ্ট্র-ব্রিটেন-অস্ট্রেলিয়ার পথে হাঁটছে না ফ্রান্স

Published: 10 December 2021

পোস্ট ডেস্ক :


উইঘুরদের ওপর চীনের মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় শীতকালীন অলিম্পিক কূটনৈতিকভাবে বর্জনের যে ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া দিয়েছে সে পথে হাঁটতে চায় না ফ্রান্স।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এ তথ্য জানান। খবর বিবিসির।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ বলেন, ২০২২ সালে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠেয় শীতকালীন অলিম্পিক কূটনৈতিকভাবে বয়কট করার কোনো পরিকল্পনা আমাদের নেই। কূটনৈতিকভাবে বয়কট করার কোনো তাৎপর্য নেই এবং এটি শুধু একটি প্রতীকী ব্যাপার।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট বলেন, অলিম্পিক গেমসকে রাজনীতিকরণ করা উচিত নয়। হয়তো আপনি পুরোপুরি বয়কট করেন। অ্যাথলেটদেরও পাঠাবেন না অথবা কার্যকরী কোনো পদক্ষেপের মাধ্যমে পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটানোর চেষ্টা করুন।

সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়া ঘোষণা দিয়েছে চীনে মানবাধিকার রেকর্ড খারাপ হওয়ার কারণে আসন্ন বেইজিং শীতকালীন অলিম্পিকে তারা কোনো সরকারি প্রতিনিধি পাঠাবে না।

উইঘুর মুসলিম এবং অন্যান্য সংখ্যালঘুদের প্রতি চীনের দমন-পীড়নের বিষয়টি এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত।

হংকং-এ রাজনৈতিক সংস্কারের দাবিতে যারা আন্দোলন করছে তাদের উপর দমন-পীড়ন এবং একজন শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চীনা টেনিস খেলোয়াড় পেং শুয়াই যৌন হয়রানির অভিযোগ আনার পর তাকে আর দেখা না যাওয়ার বিষয়টিও সম্পর্ক খারাপ হওয়ার অন্যতম কারণ।

চীন বলছে, যেসব দেশ শীতকালীন অলিম্পিক কূটনীতিকভাবে বর্জন করছে, এ ভুলের জন্য তাদের মূল্য দিতে হবে।