ফিলিপাইনে বন্যা ও ভূমিধসে নিহত বেড়ে ৫৮
পোস্ট ডেস্ক :

ফিলিপাইনে বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ৫৮ জন নিহত হয়েছেন। দেশটিতে আঘাত হানে গ্রীষ্মকালীন ঝড় মেগি। তার প্রভাবেই ওই বন্যা ও ভূমিধস হয়েছে বলে জানিয়েছে আল-জাজিরা। এতে শুধু বেবে শহরের পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলোতেই ৪৭ জন নিহত হয়েছেন এবং শতাধিক আহত হয়েছেন। এখনও সেখানে নিখোঁজ আছেন ২৭ জন। পানিবন্দি হয়ে আছেন হাজার হাজার মানুষ। বহু এলাকা রয়েছে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন।
বিবিসি জানিয়েছে, ঘণ্টায় ৬৫ কিলোমিটার বেগে বছরের প্রথম গ্রীষ্মকালীন ঘূর্ণিঝড় মেগি রোববার ফিলিপাইনে আঘাত হানে। এতে সবথেকে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে দেশটির লেয়টা প্রদেশ।
হতাহতের খবরও আসছে শুধু সেখান থেকেই। ঝড়ের কারণে দেশটির পূর্ব ও দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চলের বহু মানুষ এখনও পানিবন্দি রয়েছে। বিভিন্ন এলাকা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে। যদিও ঝড়ের পূর্বাভাস পেয়ে পূর্বাঞ্চলের ১৩ হাজারের বেশি মানুষ নিরাপদ আশ্রয়স্থলে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন।
এখনও দেশটির পূর্ব ও দক্ষিণ উপকূলে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। দেশটির ওপর দিয়ে প্রতি বছর অন্তত ২০টি এমন ঝড় বয়ে যায়। এ বছরের প্রথম ঝড় ছিল মেগি। তবে মঙ্গলবার নাগাদ ঝড়ের গতি কমে আসে। এর চার মাস আগেই দেশটিকে আঘাত হেনেছিল সুপার টাইফুন রাই। এতে বিধ্বস্ত হয়ে গিয়েছিল দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাংশ। প্রাণ হারিয়েছিল অন্তত ৩৭৫ জন এবং ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল ৫ লাখের বেশি মানুষ।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, মানবসৃষ্ট কারণেই ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছে গ্রীষ্মকালীন ঝড়গুলো। এছাড়া এই ঝড়ের সংখ্যাও বেড়ে চলেছে। ২০০৬ সালের পর থেকেই বেশ কয়েকটি ভয়াবহ ঝড়ের কবলে পড়েছে ফিলিপাইন। বিশ্বের যে দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের সবথেকে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে তারমধ্যে প্রথম দিকেই রয়েছে দেশটি।




