রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, বিশ্লেষকদের সতর্ক করলো পাকিস্তান সেনাবাহিনী

Published: 8 May 2022

পোস্ট ডেস্ক :


রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক ও বিশ্লেষকদের সতর্ক করেছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। দেশের রাজনৈতিক বিষয়ে সেনাবাহিনীকে টেনে না নিতে এই সতর্কতা দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে অপ্রমাণিত, মানহানিকর এবং উস্কানিমূলক এই অনুশীলন চরমমাত্রায় ক্ষতিকর। সেনাবাহিনীর আন্তঃসম্পর্ক বিষয়ক সংস্থা আইএসপিআর রোববার এ বিষয়ে বিবৃতি দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি দেশের রাজনৈতিক চলমান পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনী ও এর নেতৃত্বকে টেনে আনা তীব্রতর হয়েছে। ইচ্ছাকৃতভাবে এসব করা হচ্ছে। সরাসরি, সূক্ষ্ম বা সংক্ষিপ্ত রেফারেন্সের মাধ্যমে সেনাবাহিনী ও এর সিনিয়র নেতৃত্বের বিরুদ্ধে পাবলিক ফোরামে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন যোগাযোগ বিষয়ক প্লাটফরমে এসব অভিযোগ আনছেন কিছু রাজনৈতিক নেতা, গুটিকয় সাংবাদিক এবং বিশ্লেষক।

সেনাবাহিনীর মিডিয়া উইং আইএসপিআর আরও বলেছে, পাকিস্তানের সেনাবাহিনী এই ধরনের বেআইনি এবং অনৈতিক চর্চার বিষয় কড়াভাবে নেয় এবং আশা করে সবাই আইন মেনে চলবেন। দেশের সর্বোত্তম স্বার্থের জন্য রাজনীতিতে সেনাবাহিনীকে টেনে নেয়া থেকে বিরত থাকবেন।

 

যদি সেনাপ্রধান জেনারেল কমর জাভেদ বাজওয়া আমাকে একজন সুবেদার এবং চারজন সেনা দেন, তাহলে এই অসাংবিধানিক, বেআইনি ও ভুয়া মুখ্যমন্ত্রী হামজা শেহবাজকে গ্রেপ্তার করবো আমি। তাকে জেলে পাঠাবো।

অনাস্থা প্রস্তাবের মাধ্যমে পিটিআই নেতৃত্বাধীন সরকারকে গত মাসে ক্ষমতাচ্যুত করে দেশটির বিভিন্ন রাজনৈতিক দল

এ নিয়ে ইমরান খান ও ক্ষমতাসীন পিএমএলএন প্রকাশ্য জনসভায় নামে। পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচনকে অনুমোদন দিতে অস্বীকৃতি জানান পাঞ্জাবের গভর্নর ওমর সারফরাজ চিমা। প্রদেশে সাংবিধানিক সঙ্কট সমাধানে তিনি সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। বিবৃতিতে তিনি বলেন, যদি সেনাপ্রধান জেনারেল কমর জাভেদ বাজওয়া আমাকে একজন সুবেদার এবং চারজন সেনা দেন, তাহলে এই অসাংবিধানিক, বেআইনি ও ভুয়া মুখ্যমন্ত্রী হামজা শেহবাজকে গ্রেপ্তার করবো আমি। তাকে জেলে পাঠাবো।
ইমরান খানকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেনাবাহিনী ও এর শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে মানহানিকর বক্তব্য প্রচারের সঙ্গে জড়িতদের এরই মধ্যে আটক করেছে ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি। একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের একজন উপস্থাপকের বিরুদ্ধেও তদন্ত শুরু করেছে এই এজেন্সি। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাষ্ট্রবিরোধী ভিডিও ও বিবৃতি প্রচার করেছেন।