দলের প্রতি সততা থেকেই বেন স্টোকসের অবসর

Published: 18 July 2022, 4:00 PM

পোস্ট ডেস্ক :


‘এটা ছিল আমার জীবনের কঠিনতম সিদ্ধান্ত। এই সংস্করণে সতীর্থদের জন্য আমি আর নিজের শতভাগ উজাড় করে দিতে পারছি না। ইংল্যান্ডের জার্সি এর চেয়ে কম কিছু পেতে পারে না। ‘―ইংলিশ অলরাউন্ডার বেন স্টোকসের দীর্ঘ অবসর ঘোষণাপত্রে এই দুটি লাইন আলাদা করে বলার মতো।

একজন ক্রিকেটার দলকে শতভাগ উজাড় করে দিতে পারছেন না বিধায় অবসর ঘোষণা করছেন। দলের প্রতি, দেশের প্রতি এবং সতীর্থদের প্রতি কমিটমেন্টের সেরা উদাহরণ।
বেন স্টোকসের অবসর ঘোষণার কারণ স্রেফ একটাই না। তবে এটাই প্রধান। স্টোকস এখন ইংল্যান্ডের টেস্ট অধিনায়ক। অন্য যেকোনো ফরম্যাটের চেয়ে ইংলিশরা ক্রিকেটের সবচেয়ে পুরনো ফরম্যাটকে মর্যাদার চোখে দেখে। টেস্ট তাদের কাছে আভিজাত্য। সুতরাং বেন স্টোকস টেস্ট খেলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ইংল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি দলেও তিনি নিয়মিত। এই তিন ফরম্যাটে সমানভাবে নিজেকে উজাড় করে দেওয়া এখন আর স্টোকসের পক্ষে সম্ভব হচ্ছিল না।

ওয়ার্কলোড বেড়ে যাচ্ছিল। বর্তমান সময়ে ব্যস্ত ক্রিকেটসূচির মাঝে ওয়ার্কলোড খুব আলোচিত। ভারত তো রীতিমতো দুটি, এমনকি তিনটি দলও খেলিয়ে যাচ্ছে ক্রিকেটারদের ওয়ার্কলোড কমাতে। এই ভারতের বিপক্ষে সর্বশেষ ওয়ানাডে সিরিজে তিন ম্যাচে স্টোকস করেছেন মোট ৪৮ রান। ইংল্যান্ডের মতো দলের টেস্ট অধিনায়কত্ব করার চাপ তো আছেই, সেই সঙ্গে বাজে ফর্ম মিলিয়ে একটি ফরম্যাট থেকে অবসরের সিদ্ধান্তটা নিয়ে ফেলেছেন স্টোকস।

দলের প্রতি এই সততা বেশির ভাগ ক্রিকেটারের মাঝেই দেখা যায় না। সেই সঙ্গে অবশ্যই ছিল টেস্ট ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা। অধিনায়ক হয়েই দলকে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতিয়েছেন। টুইটে তাই লিখেছেন, ‘তিন ফরম্যাট চালিয়ে যাওয়া আমার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। …আমি টেস্ট ক্রিকেটে নিজের সর্বোচ্চটা উজাড় করে দেব। সেই সঙ্গে আমার বর্তমান সিদ্ধান্তের ফলে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটেও নিজের কমিটমেন্টের সর্বোচ্চটা দিতে পারব। ‘