হিজড়াদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি কি সাধারণ মানুষকে জিম্মি করার লাইসেন্স?
।। ডাঃ এম এ ছালাম।।

কাউন্সিলরের অফিস, ডাক্তারের চেম্বার, বিয়ে বাড়ি, বৌভাত, ফুয়েল পাম্প কিংবা নতুন সন্তানের জন্ম নেওয়া কোনো পরিবার—আজকাল হিজড়া বা তৃতীয় লিঙ্গের উপদ্রব থেকে রেহাই পাচ্ছে না কোনো জায়গা! ৫-১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা, টাকা না দিলে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করা, গালিগালাজ বা গাড়ি আটকে হেনস্তা করা এখন নিত্যদিনের চিত্র। এটি আর কোনো ব্যক্তিগত সমস্যা নয়, এটি এখন একটি ‘জাতীয় সামাজিক ব্যাধি’।
সবচেয়ে বড় ভয়ংকর সত্য হলো, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে বারবার প্রমাণিত হয়েছে যে, রাস্তায় উগ্র আচরণ করা এই দলগুলোর একটি বিশাল অংশই আসলে ‘নকল হিজড়া’! এদের অনেকেরই স্ত্রী-সন্তান আছে, কিন্তু সহজে ও দ্রুত কোটিপতি হওয়ার জন্য এরা হিজড়া সেজে এই চাঁদাবাজির সিন্ডিকেট চালাচ্ছে। ২০১৪ সালে সরকার তাদের তৃতীয় লিঙ্গের স্বীকৃতি দিয়েছিল তাদের অধিকার ও সম্মান দেওয়ার জন্য, সাধারণ নাগরিকদের পকেট কাটার জন্য নয়!
यह এখন আমাদের সবার আয়ত্তের বাইরে চলে যাচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন বা পুলিশও অনেক সময় অসহায়ত্ব প্রকাশ করে কোনো ব্যবস্থা নেয় না।
এই জাতীয় সমস্যা সমাধানে আমাদের দাবি ও করণীয়:
১. মেডিকেল টেস্ট বাধ্যতামূলক করা: সরকারের কাছে জোর দাবি, প্রতিটি জেলায় মেডিকেল বোর্ডের মাধ্যমে প্রকৃত ও নকল হিজড়া চিহ্নিত করে নকলদের সরাসরি চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেফতার করা হোক।
২. হিজড়া ‘গুরু’দের দমন: এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা বা লিডারদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
৩. সম্মিলিত প্রতিরোধ: বিয়ে বাড়ি বা দোকানে এরা চড়াও হলে একা ভয় না পেয়ে আশেপাশের সবাই মিলে একযোগে প্রতিবাদ করুন এবং তাৎক্ষণিক ৯৯৯-এ কল করুন।
৪. টাকা দেওয়া বন্ধ করুন: সাময়িক ঝামেলা এড়াতে আমরা যখন মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে দিই, তখন এদের সাহস আরও বেড়ে যায়। অন্যায় দাবির মুখে অর্থনৈতিক বয়কট নিশ্চিত করতে হবে।
সরকার, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং ভুক্তভোগী জনগণকে এখন সম্মিলিতভাবে এই ওপেন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব।
#StopExtortion #ThirdGenderIssue #PublicSafety #জাতীয়_সমস্যা #প্রশাসন_দৃষ্টি_আকর্ষণ_করন।
সচেতন নাগরিক সমাজ ও ব্যবসায়ী মহলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান
🚫 পেশাদার ভিক্ষুক ও হিজড়া সিন্ডিকেটের অন্যায্য চাঁদাবাজিকে “না” বলুন! 🚫
প্রিয় এলাকাবাসী ও সম্মানিত ব্যবসায়ী ভাই ও বোনেরা,
আমাদের ধর্মীয় আবেগ এবং সামাজিক সরলতাকে পুঁজি করে বর্তমানে একটি সুসংগঠিত ‘অপরাধী চক্র’ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। সুস্থ-সবল তরুণ-তরুণী এবং ছদ্মবেশী নকল হিজড়ারা দলবেঁধে আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ফুয়েল পাম্প এবং বাসাবাড়িতে এসে জোরপূর্বক টাকা আদায় করছে। টাকা না দিলে অশ্লীল আচরণ ও হেনস্তা করছে। এদেরকে টাকা দেওয়া মানে এই অপরাধী সিন্ডিকেটকে আরও শক্তিশালী করা।
আসুন, আমরা সম্মিলিতভাবে ৩টি শপথ নিই:
১. নগদ টাকা দেওয়া বন্ধ করুন: কোনো সুস্থ, সবল বা সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে অলস টাকা দেবেন না। প্রয়োজনে খাবার বা ওষুধ কিনে দিন।
২. ভয় পাবেন না, রুখে দাঁড়ান: আপনার দোকান বা বাড়িতে এসে কেউ জিম্মি করার চেষ্টা করলে একা ভয় না পেয়ে আশেপাশের সবাইকে ডাকুন। সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তুলুন।
৩. প্রকৃত অভাবীকে দান করুন: আপনার কষ্টার্জিত যাকাত ও সদকার টাকা রাস্তার পেশাদারদের না দিয়ে নিজের অভাবী আত্মীয়, দরিদ্র প্রতিবেশী বা বিশ্বস্ত এতিমখানায় দিন।
জরুরি করণীয়: কোনো প্রকার উগ্র আচরণ বা জোরপূর্বক টাকা আদায়ের চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল করুন অথবা স্থানীয় সচেতন নাগরিক কমিটিকে অবহিত করুন।




