দারুল কিরাত নর্থহ্যাম্পটনে ১৮১ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ এবং ৭ জনের ক্বারীয়ানা সনদ লাভ

Published: 29 October 2026


এম এ ফাত্তাহ চৌধুরী ফয়সল : বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে দারুল কিরাত নর্থহ্যাম্পটন শাখার অ্যাওয়ার্ড সিরিমিনি ও গ্র্যাজুয়েশন ২০২৬ গত ২০ সেপ্টেম্বর নর্থহ্যাম্পটন আল জামাতুল মুসলিমিন অফ বাংলাদেশ মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অত্র মসজিদের মুতাওয়াল্লি আব্দুল শফিক মখন খানের সভাপতিত্বে এবং ক্বারী রূহুল আমিনের সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন -সেন্টারের প্রধান ক্বারী মৌলভী এম. এ. ফাত্তাহ চৌধুরী ফয়সল।
দারুল কিরাতের প্রতিষ্ঠাতা আল্লামা সাহেব কিবলা ফুলতলী রাহিমাহুল্লাহ এর অবদান এবং পবিত্র কুরআন শুদ্ধভাবে শেখার গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন- অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি লতিফিয়া ক্বারী সোসাইটি ইউকের সাধারণ সম্পাদক মুফতি মাওলানা আশরাফুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন -মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস ও মাওলানা আব্দুল ওয়াসি আরিফ।
দারুল কিরাতের সার্বিক কার্যক্রমে সহযোগিতার জন্য স্পন্সরসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান সেন্টারের নাজিম হাজী হারুন আলী ও অ্যাসিস্ট্যান্ট নাজিম হাজী আব্দুল আহাদ। অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য রাখেন – ইমাম-হাফিজ মাওলানা আবু বকর।


কোর্স শেষে কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে সার্টিফিকেট, মেডেল ও ট্রফি তুলে দেওয়া হয়। এ বছর দারুল কিরাতের কোর্স সম্পন্ন করে চারজন শিক্ষার্থী ক্বারী এবং তিনজন শিক্ষার্থী ক্বারীয়া হিসেবে সনদ লাভ করেন। তাঁদের পাগড়ি ও বোরকা দিয়ে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
সনদপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন ইয়াসিন আলী, নাঈম আহমেদ, মিলহান মহম্মদ সামাদ, ইয়ামিনুর রহমান, জুবায়দা খাতুন, জুনাইরাহ বেগম ও মালিহা খাতুন।
এ ছাড়া অন্য শাখা থেকে উত্তীর্ণ ক্বারী ফিরোজ মিয়াকেও অনুষ্ঠানে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে দারুল কিরাতের ৩৯ জন শিক্ষক এবং এ বছরের ৪৪ জন স্পন্সরের হাতে সম্মাননা সনদ তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন – নর্থহ্যাম্পটনের ডেপুটি মেয়র কাউন্সিলর এনামুল হক, কাউন্সিলর হাজী তুরন মিয়া, সাবেক কাউন্সিলর ইউসুফ মিয়া, সাবেক মুতাওয়াল্লি আলহাজ আব্দুর রহিম এবং ইমাম-হাফিজ মাওলানা জিয়াউর রহমানসহ কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
এবারের সামার হলিডেতে অনুষ্ঠিত ইনটেনসিভ তাজবিদ কোর্সে নর্থহ্যাম্পটন শাখায় ১৮১ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তাদের পাঠদানে ২৮ জন ক্বারী ও ১১ জন কারিয়া শিক্ষক দায়িত্ব পালন করেন।