দেড় মিলিয়ন ডলারের মাস্ক!

Published: 15 August 2020, 6:15 PM

করোনা থেকে বাঁচতে দেড় মিলিয়ন ডলারের মাস্ক তৈরি করেছে ইসরায়েলের একটি জুয়েলারি শপ। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী এক চীনা নাগরিকের জন্য তৈরি করা হচ্ছে মাস্কটি। এটি তৈরিতে একসাথে কাজ করছেন ২৫ জন কারিগর। বাংলাদেশি টাকায় এ মাস্কের দাম ১২ কোটি ৭২ লাখ টাকা।

কোভিড নাইনটিনের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে ১৫ লাখ ডলার মূল্যের মাস্ক তৈরি করেছে জেরুজালেমের এই জুয়েলারি শপ। এ মাস্কটি তৈরি করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির জন্য। ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের এ মাস্কে দেয়া হয়েছে ৩ হাজার ৬শ’ কালো আর সাদা রংয়ের ডায়মন্ড। মাস্কে এন নাইনটিনাইন ফিল্টারও সংযোজন করে দেয়া হবে বলে জানিয়েছে জুয়েলারি ব্র্যান্ড কর্তৃপক্ষ।

ওয়াইভেল জুয়েলারির স্বত্বাধিকারী ইসাক লেভি বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে দামি মাস্ক তৈরি করতে পেরে আমরা গর্বিত। কয়েকবছর ধরেই চীনা এই গ্রাহককে চিনি। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী চীনা শিল্পকর্ম সংগ্রহকারী ওই ব্যক্তির জন্য বিশেষ এ মাস্ক তৈরি হচ্ছে। তিনি আমাদের অনেক পুরনো গ্রাহক। অনেক ধনী এবং রুচিশীল একজন ব্যক্তি তিনি।

অক্টোবরে মাস্কটি পুরোপুরি তৈরি হয়ে গেলে নিজেই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির কাছে এটি পৌঁছে দেবেন বলেও জানান লেভি। বর্তমানে এ মাস্ক তৈরিতে একসাথে কাজ করছেন ২৫ জন কারিগর। মহামারীর আর্থিক সংকটে এটিকে বিলাসিতা বলে মনে হলেও জুয়েলারি ব্র্যান্ড কর্তৃপক্ষ মনে করে এটি একটি শিল্পকর্ম।

ইসাক লেভি বলেন, এ মাস্ক তৈরির কাজ হাতে পেয়ে আমার প্রতিষ্ঠান সন্তুষ্ট। কারণ এ মাস্ক তৈরি হচ্ছে তাই কাজ পেয়েছেন অনেক কারিগর। যারা অর্থনৈতিক সংকটে অনেক চ্যালেঞ্জিং সময় পার করছিলেন।

তবে জুয়েলারি শপে আসা অন্যান্য ক্রেতারা সমালোচনা করে বলেন, শুধুমাত্র মাস্ক তৈরিতে মোট অঙ্কের অর্থ ব্যয় না করে এ অর্থ করোনা প্রতিরোধে ব্যয় করা উচিত।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •