ছাতকে ‘আফজল শাহ চত্বর’ বাস্তবায়নের দাবি

Published: 2 October 2020, 8:52 PM

ছাতক সংবাদদাতা : সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার গোবিন্দ গঞ্জ পয়েন্টে নির্মাণাধীন চত্বরকে ‘আফজল শাহ চত্বর’ নামকরনের দাবিকে ঘিরে ফেসবুক সহ সামাজিক বিভিন্ন গন মাধ্যমে রীতিমত ঝড় বয়ে যাচ্ছে।

জানা গেছে গোবিন্দ গঞ্জের পাশেই আফজলাবাদে শায়িত রয়েছেন হযরত আফজল শাহ উরফে আরমান আলী নামক একজন সুফি সাধক। আজ থেকে প্রায় দুইশত বছর পুর্বে জন্ম নেয়া এই সুফি সাধক নিরবে নিবৃত্তে কাটিয়ে গেছেন তার জীবনের একশত বিশটি বছর। বাংলা, আরবি, উর্দু, ফার্সী ভাষা সহ সিলেটি নাগরিতে অসাধারন পান্ডিত্যের অধিকারি কীর্তিমান এই সাধক রচনা করে গেছেন অনেক গুলো গ্রন্থ। যে গুলো আজও দেশ বিদেশের বিভিন্ন গবেষকের গবেষনার খোরাক হিসাবে কাজ করে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন পিএসসির সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক এর উদ্যোগে উর্দুতে রচিত হযরত আফজল শাহর রিসালায়ে মারিফত গ্রন্থখানি অনুদিত হয়। এবং সিলেটি নাগরিতে রচিত মানবসৃষ্টি রহস্য সংক্রান্ত আফজল শাহর অবিস্মরণীয় গ্রন্হ “নুর পরিচয়” সাবেক চিফ ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মান্নানের উদ্যোগে অনুবাদ হয়। এখনো আফজলশাহর অনেক গুলো গ্রন্থ অনুবাদের বাকি রয়েছে।

সিলেট-ছাতক রেললাইনে “আফজলাবাদ রেলষ্টেশন” এবং আফজলাবাদ ইউনিয়নও আফজলশাহর নামানুসারে করা হয়। বৃহত্তর সিলেটের বিভিন্ন অঞ্চল যেমন ছাতক, জগন্নাথপুর, দোয়ারা বাজার, সুনামগঞ্জ সদর, বিশ্বনাথ, কোম্পানিগঞ্জ, তাহিরপুর, মৌলভী বাজার, হবিগঞ্জ সদর, শায়েস্হা গঞ্জ, চুনারুঘাট, নবীগঞ্জ, দিরাই এবং সিলেটের বাহিরে ব্রাম্মনবাড়িয়া, ময়মনসিংহ গাজিপুর, ঢাকা সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে রয়েছে আফজল শাহর ভক্ত মুরিদান। মুলত আফজল শাহর ভক্ত মুরিদান গণের দাবির প্রেক্ষিতেই উনার নামে আফজল চত্তর করার দাবিটি জোরালো হচ্ছে।

এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান গয়াস আহমদ বলেন জনগণের ভোটে বার বার নির্বাচিত ছাতক দোয়ারার এমপি মুহিবুর রহমান মানিক প্রায়ই আফজল শাহর মাজারে দোয়া নিতে আসেন। তিনি বলেন দলমত নির্বিশেষে সবাই আফজল শাহর প্রতি আন্তরিক ও শ্রদ্ধাশীল।

আফজল শাহর ভক্তবৃন্দ তথা এলাকাবাসি মনে করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেমন অলি আওলিয়াদের প্রতি সম্মান জানিয়ে নামকরন করেছেন “শাহজালাল বিমান বন্দর” তেমনি ভাবে ছাতক দোয়ারার এমপি মহোদয় অলি আওলিয়ার প্রতি সম্মান জানিয়ে তাঁদের মনোবাসনা পুর্ন করে “আফজল শাহ চত্তর” নাম করন করবেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •