ইউনিভার্সেল ক্রেডিট অব্যাহত রাখতে জন বিগসের আহবান

Published: 7 October 2020, 4:14 PM

পোস্ট ডেস্ক : টাওয়ার হ্যামলেটসের নির্বাহী মেয়র জন বিগস বর্ধিত ইউনিভার্সেল ক্রেডিট অব্যাহত রাখার জন্য চ্যাঞ্চেলর ঋষি সুনাকের কাছে দাবী জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে ৫০টি অর্গানাইজেশনের ক্যাম্পেইনে শরিক হয়ে তিনি এই আহবান জানালেন।
৫০টি অর্গানাইজেশনের মধ্যে চ্যারেটি প্রতিষ্ঠান, ফুড ব্যাংক, প্রতিবন্ধি সংগঠন, ট্রেড ইউনিয়ন ইত্যাদি রয়েছে।


উল্লেখ্য, করোনাভাইরাস শুরুর পর সরকার সপ্তাহে প্রায় ২০ পাউন্ডেরও বেশী ইউনিভার্সেল ক্রেডিট বৃদ্ধি করে। ২৫ বছরের উর্ধের একজনের পেমেন্ট (সিঙ্গেল ক্লেইমেন্ট) ৩১৭.৮২ পাউন্ড থেকে বেড়ে ৪০৯.৮৯ পাউন্ড হয়। বর্ধিত এই পেমেন্টের মেয়াদ শেষ হবে ২০২১ সালের এপ্রিল মাসে।
চ্যাঞ্চেলার ঋষি সুনাকের কাছে লেখা চিঠিতে মেয়র এবং ৫০টি অর্গানাইজেশনের কর্তারা স্মরণ করিয়ে দেন যে, এপ্রিল ২০২১ সালের পর সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে না। তারা বলেন, চ্যাঞ্চেলার ঋষি সুনাক তার শীতকালীন বাজেট পর্যালোচনায় করোনাভাইরাসের কারনে মানুষের চাকুরী চলে যাওয়া তথা আয় কমে যাবার কথা উল্লেখ করলেও ইউনিভিার্সেল ক্রেডিট বিষয়ে কোন কথা বলেননি। তার এই নিরবতা দেশের প্রায় ৭ লাখ পরিবারকে দুশ্চিন্তার মধ্যে ফেলেছে।
চিঠিতে তারা এই বর্ধিত সাপোর্টকে লিগেসি বেনিফিট গ্রহিতাদের মধ্যেও প্রসারিত করার আহধ্বান জানান। তারা বলেন, এটা কোন ভাবেই গ্রহনযোগ্য নয় যে, সরকার ১.৫ মিলিয়ন মানুষকে এর বাইরে রাখবে যাদের মধ্যে বেশীর ভাগই অসুস্থ এবং প্রতিবন্ধী। সরকারের সাম্প্রতিক (মে ২০২০) হিসাব মতে, টাওয়ার হ্যামলেটসের পপলার এন্ড লাইম হাউজের ১৫ হাজার এবং বেথনালগ্রীন এন্ড বো এলাকার ১৪ হাজার পরিবার ইউনিভার্সেল ক্রেডিট গ্রহন করেন।
এ ব্যাপারে মেয়র জন বিগস বলেন, সরকার ভয়াবহ চাকুরী সমস্যার কথা ভাল করেই জানে। যে সময়ে মানুষের বেশী সহযোগিতা প্রয়োজন সে সময়ে তা কমিয়ে ফেলা বিপদজ্জনক। সরকারের মনোভাব হচ্ছে মানুষ ডুবে মরুক অথবা ভেসে থাকুক এটা আমার দেখার বিষয় নয়। মেয়র বলেন, ব্যয় সংকোচন শুরুর পর থেকে বেনিফিট বাড়ে নি। ইউনিভার্সেল ক্রেডিট হচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য লাইফ লাইন। কেবিনেট মেম্বার ফর প্ল্যানিং এন্ড সোশ্যাল ইনক্লুশন কাউন্সিলার মুফিদা বাস্টিন বলেন, ইউনিভার্সেল ক্রেডিট এর পরিমান বৃদ্ধি সংশ্লিষ্টদের জন্য খুবই উপকারী ছিলো। এসব মানুষের জীবন আবার সহসাই স্বাভাবিক হয়ে যাবে এমনটা আশা করা ঠিক নয়। তাই সরকারকে এ ব্যাপারে পুনরায় চিন্তা করার দাবী জানান তারা।