সিলেট-৩ আসনের উপ নির্বাচন
সিলেট-৩ আসনের উপ নির্বাচন
অর্থের অভাব নেই বিএ পাশ শফি আহমদ চৌধুরীর
সিলেট অফিস :

২৮ জুলাই বুধবার সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচন। আওয়ামীলীগের প্রার্থী মাহমুদুস সামাদ চৌধুরী করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার পর এই আসন শুন্য ঘোষণা করে উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষনা করে নির্বাচন কমিশন। আর এই আসনে ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করার জন্য প্রস্তুুতি নিয়েছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শফি আহমদ চৌধুরী। কিন্তু দলীয় সিদ্ধান্তে বিএনপি উপ-নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না। তাই বিএনপি’র প্রভাবশালী এই নেতা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করার জন্য মনোনয়ন জমা দিলে বিএনপি তাকে দল থেকে বহিস্কার করে। কিন্তু তিনি নির্বাচনের মাঠে রয়েছেন। সাবেক এই সংসদ সদস্য ভোটের জন্য ভোটারের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন। তিনি তার প্রতিক ‘মোটরগাড়ি’র (কার) পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন এবং ভোটারের কাছে ভোট চাচ্ছেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য (বহিষ্কৃত) আলহাজ্ব শফি আহমদ চৌধুরী বিএ পাশ। হলফনামায় দেয়া তথ্য অনুযায়ী , তিনি ২০০৭ সালে মামলার আসামী (ধারা-৪০৬/৪২০/২০১/১০৯/৪১১/দন্ডবিধি) হন। দক্ষিণ সুরমা থানার মামলা নং ২০(২)২০০৭। সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তিনি মামলা থেকে বেকসুর খালাস পান। পেশায় ইনডেন্টিং ব্যবসায়ী (রফতানি ব্যবসায়ী) শফি চৌধুরী অ্যালবার্ট ডেভিট, প্রাইভেট লিমিটেড’র ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক। ব্যবসায়ী শফি চৌধুরীর বার্ষিক আয় ৮০ লাখ ১৩ হাজার ৫৮৮ টাকা। এর মধ্যে ব্যবসা থেকে ৫০ লাখ ৮৯ হাজার ৩২৭ টাকা , ঘর ভাড়া থেকে ২৭ লাখ ৯৮ হাজার ৯২৫ টাকা ও ব্যাংক ইন্টারেস্ট থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার ২৭৬ টাকা আয় করেন। নিজ নামে নগদ ও জমা মিলিয়ে ব্যাংকে রয়েছে ২ কোটি ৭৬ লাখ ৫১২ টাকা। কন্টিনেন্টাল ট্রেভেলস লিমিটেড , কন্টিনেন্টাল ফিশারি এন্ড এগ্রো লিমিটেড , ট্রান্সকম সিকিউরিটি লিমিটেড, ন্যাশনাল টি কোম্পানি লিমিটেডসহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তার নিজ নামে শেয়ার রয়েছে। অ্যালভার্ট ডেভিট (বিডি) লিমিটেড-এ রয়েছে ডিপোজিট মানি ও শেয়ার। পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত যৌথ মালিকানায় তিনি ৫০০ বিঘা জমির মালিক। রাজধানী ঢাকার গুলশান-২ এর ৭৯ নম্বর রোডে নিজ নামে ১ কোটি ১১ লাখ টাকা মূল্যের একটি বাড়ি রয়েছে। ৪৬ লাখ ২৮ হাজার ৮৪৭ টাকা মূল্যের একটি নতুন (রেইন রোভার জীপ) গাড়ি ও ২ লাখ টাকা মূল্যের একটি পুরাতন গাড়ি রয়েছে।
বিভিন্ন ব্যবসায় তার ৩৯ কোটি ৯ লাখ ৩২ হাজার ৭৭৯ টাকা বিনিয়োগ রয়েছে। স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে তিনি মোট ৪৯ কোটি ২৫ লাখ ৪ হাজার ৩৯৪ টাকা মূল্যের সম্পদের মালিক। তার ৭ কোটি ৫ লাখ ৮৩ হাজার ৫৭১ টাকা ঋণ রয়েছে। এক নিকটাত্মীয়ের কাছ থেকে ব্যাংকিং মাধ্যমে ৬ কোটি ১৬ লাখ ৬ হাজার ২৬ টাকা ঋণ নিয়েছেন। সায়েরা চৌধুরীর কাছ থেকে ঋণ নিয়েছেন ৮৯ লাখ ৫৪৫ টাকা।
তিনি দক্ষিণ সুরমার পশ্চিম দাউদপুরের বাসিন্দা। অতীতে এই নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য ছিলেন। সংসদ সদস্য থাকাকালে তার যে সকল অর্জন এর তালিকা হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেন।




