সাধারণ জীবনে ফিরেছেন ইতালির রবিনসন ক্রুশো
পোস্ট ডেস্ক :

৩৩ বছর ধরে বিচ্ছিন্ন এক নির্জন দ্বীপে একা বেঁচে ছিলেন ইতালির মাউরো মোরান্দি। যখন তিনি সবাইকে ছেড়ে ওই দ্বীপে গিয়ে ওঠেন তখন তার বয়স প্রায় ৫০। এরপরে তার প্রবীণ বয়সের পুরোটাই কেটেছে ভূমধ্যসাগরের দ্বীপ বুদেলিতে। তবে শেষ পর্যন্ত ইতালি কর্তৃপক্ষের চাপে তাকে দ্বীপটি ছেড়ে দিতে হয়েছে। মাউরো ফিরে এসেছেন তার বাড়িতে। তবে এরইমধ্যে তিনি বিশ্বজুড়ে পরিচিত হয়েছেন ইতালির রবিনসন ক্রুশো হিসেবে। অনলাইনে বাড়ছে তার ভক্তদের সংখ্যা।
মাউরো তার জীবনের ৩৩ বছর নির্জনে কাটিয়েছেন বুদেলিতে। সেখানে ছিলনা কোনো বন্ধু বান্ধব, যোগাযোগের ব্যবস্থা, মজার খাবার।
তার সময় কাটতো পাখি ও বিড়াল নিয়ে। অল্প কিছু কাপড় ছিল তার। সব ধরণের আরাম ত্যাগ করে তিনি নিরিবিলি নিজের জীবন নিয়ে ভেবে সময় কাটিয়েছেন। তবে তাকে এই স্বর্গ ছেড়ে আসতে হয়েছে কর্তৃপক্ষের পিড়াপিড়িতে। গত মে মাসে বুদেলি ছেড়ে চলে আসতে বাধ্য হন মাউরো।
৮২ বছরের মাউরোর জন্য নতুন করে স্বাভাবিক জীবনে অভ্যস্ত হওয়া কঠিন বিষয় ছিল। তিনি যদিও বলছেন, কঠিন হলেও বিষয়টি অসম্ভব নয়। কখনই জীবন শেষ হয়ে যায়না। তার জলজ্যান্ত প্রমাণ আমি নিজে। যে কোনো সময়েই একটি দ্বিতীয় জীবন শুরু করা সম্ভব। যদি আপনার বয়স ৮০ হয়, তারপরেও সম্ভব। বর্তমানে ইতালির লা মাদ্দালেনাতে আছেন মাউরো। তিনি বলেন, আমি আনন্দিত যে সাধারণ জীবনকে আবারো আবিষ্কার করতে পেরেছি। আমি প্রতিদিনকার সুন্দর সময়গুলো উপভোগ করছি।




