চট্টগ্রামে গণঅনশনে নেতারা
‘সংখ্যালঘুরা দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হিসেবে বাঁচতে চায় না’

Published: 23 October 2021

পোস্ট ডেস্ক :


কুমিল্লার একটি ষড়যন্ত্রমূলক ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘুদের ওপর যে তা-ব চালানো হয়েছে, তা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। সংখ্যালঘুরা দেশের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হিসেবে বাঁচতে চায় না। তারা বাকস্বাধীনতা ও নিজেদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে পালন করতে চায়।

দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম নগরীতে গণঅনশন ও বিক্ষোভ সমাবেশ বক্তারা এই কথা বলেন। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ এই কর্মসূচির ডাক দেন।

আজ শনিবার সকাল ৬ টা থেকে নগরের আন্দরকিল্লা মোড়ে এ কর্মসূচি শুরু হয়।

জানা যায়, অনশনে নগরের বাইরের বিভিন্ন এলাকা থেকেও সনাতনি সম্প্রদায়ের লোকজন যোগ দেন। অনশন শেষে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতা রানা দাশগুপ্তের নেতৃত্বে একটি গণ মিছিল করারও কথা রয়েছে।

গণঅনশনকালীন সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘কুমিল্লার একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে সারাদেশে যে তান্ডব চালানো হয়েছে, তা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় ন। এখন ঘটনায় সিসি ক্যামেরায় ওঠে এসেছে কারা আসলে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। এখন তারা নিজেদের দোষ ঢাকতে বিভিন্ন কথাবার্তা বলছেন।

তারা বলেন, একটি চক্র দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছে। তারা সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ছড়িয়ে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে চায়।

সবাইকে এই বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে। এই অশুভ শক্তিকে বিনাশ করতে না পারলে তা দেশের জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হয়ে উঠবে।

 

এদিকে সমাবেশের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যদের সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।

সমাবেশের বিষয়ে বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন, ভোরেই হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান পরিষদের গণঅনশন শুরু হয়েছে।এনিয়ে অতিরিক্ত সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা যাতে না হয়, সেজন্য আমরা বিশেষ সতর্ক অবস্থায় আছি।