বালিকা গণধর্ষণ: রাজস্থানে ১৩ জনকে ২০ বছর করে জেল
পোস্ট ডেস্ক :

এ বছর নয় দিন ধরে ১৫ বছর বয়সী একটি বালিকাকে গণধর্ষণের অভিযোগে ভারতের রাজস্থানে অবস্থিত কোটা’র এক আদালত শনিবার ১৩ জনকে দায়ী করে প্রত্যেককে ২০ বছর করে জেল দিয়েছে। দু’জনকে দেয়া হয়েছে চার বছর করে জেল। এ খবর দিয়েছে ভারতের সরকারি সংবাদ সংস্থা পিটিআই। এই মামলার বিচারের জন্য শিশুর বিরুদ্ধে যৌন অপরাধ সুরক্ষা বিষয়ক আইনের (পিওসিএসও অ্যাক্ট) অধীনে গঠিত বিশেষ আদালতে এ রায় দেন অতিরিক্ত সেশন জজ অশোক চৌধুরী।
বাড়ি থেকে ওই বালিকাকে অপহরণের অভিযোগে তিনি এই মামলায় একজন নারীকে চার বছরের সশ্রম কারাদ- দিয়েছেন। বালিকাটিকে অপহরণ করে ওই নারী তাকে নিয়ে যায় ঝালাওয়ারে। সেখানে সে কয়েকজন ব্যক্তির কাছে তাকে বিক্রি করে দেয়। তারা তাকে কিনে নিয়ে ধর্ষণ করতে থাকে।
১৬ জনকে এই মামলায় শাস্তি দেয়ার সময় অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ থেকে ১২ জনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন বিচারক। স্থানীয় জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডে আলাদা শুনানিতে এই মামলায় অপ্রাপ্ত বয়স্ক চারজনের বিরুদ্ধে রায় এখনও ঘোষণা করা হয়নি।
শনিবার রায় ঘোষণাকালে বিচারক অশোক চৌধুরী যাদেরকে ২০ বছর করে জেল দিয়েছেন, তাদের প্রতি জনকে বাড়তি ১০ হাজার রুপি করে জরিমানা করেছেন।
একই সঙ্গে যাদেরকে চার বছরের জেল দিয়েছেন, তাদের প্রতি জনকে ৭ হাজার রুপি করে জরিমানা করেছেন। রাজস্থান পুলিশ ডিপার্টমেন্টের অফিসার স্কিমের অধীনে তদন্তের নয় মাসের মধ্যে এই রায় ঘোষণা করা হলো।
এ বছরের ৬ই মার্চ ওই বালিকাকে গণধর্ষণের মামলা হয় সুকেট পুলিশ স্টেশনে। মামলায় বলা হয়, একটি ব্যাগ কিনে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বুলবুল ওরফে পুজা জৈন নামে এক নারী কোটা’য় অবস্থিত বাড়ি থেকে ওই বালিকাকে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে নিয়ে যায় ঝালাওয়ারে। তাকে বিক্রি করে দেয় পুজা। এরপর একজন আরেকজনের কাছে বিক্রি করতে থাকে ওই বালিকাকে। এভাবে ক্রেতারা তাকে ৯ দিন ধরে ধর্ষণ করে। এই মামলার তদন্ত শেষে কোটা পুলিশ ১৭৫০ পৃষ্ঠার একটি চার্জশিট দাখিল করে ৭ই মে। তার ভিত্তিতে বিচারক শনিবার ওই রায় ঘোষণা করেন।




