বেঁচে ফেরা টাইটানিক যাত্রীর লাইফ জ্যাকেট বিক্রি ৯ লাখ ডলারে

Published: 19 April 2026

পোস্ট ডেস্ক :


টাইটানিক থেকে বেঁচে ফেরা এক যাত্রীর লাইফ জ্যাকেট নিলামে ৯ লাখ ডলারের বেশি দামে বিক্রি হয়েছে। ইংল্যান্ডের ডিভাইসে অনুষ্ঠিত একই নিলামে একটি লাইফবোটের সিট কুশনও প্রায় ৫ লাখ ২৭ হাজার ডলারে বিক্রি হয়। এতে টাইটানিকের প্রতি মানুষের তীব্র কৌতূহল নতুন করে সামনে এলো। ভেসে থাকার এই পোশাকটি এখন পর্যন্ত টিকে থাকা টাইটানিকের হাতেগোনা কয়েকটি লাইফ জ্যাকেটের মধ্যে একটি। জ্যাকেটটি ১৯১২ সালে জাহাজটি ডুবে যাওয়ার সময় প্রথম শ্রেণির যাত্রী লরা মেবেল ফ্রাঙ্কাটেলি ব্যবহার করেছিলেন। নিলামে তোলা বস্তুগুলোর ভেতর এটিই ছিল একমাত্র লাইফ জ্যাকেট।

ইংল্যান্ডের ডিভাইসে অবস্থিত হেনরি অলড্রিজ অ্যান্ড সন নিলামকারী প্রতিষ্ঠানে এটি ফি সহ ৬ লাখ ৭০ হাজার পাউন্ড বা প্রায় ৯ লাখ ৬ হাজার ডলারে একজন অজ্ঞাত ব্যক্তি জ্যাকেটটি ক্রয় করেন।
ধারণা করা হচ্ছিলো লাইফ জ্যাকেটটির দাম ৩ থেকে ৫ লাখ ডলার হতে পারে। নিলামে বিক্রি হওয়া টাইটানিকের লাইফবোটের সিট কুশনটি টেনেসির পিজন ফোর্জ ও মিসৌরির ব্যানসন অবস্থিত টাইটানিক জাদুঘরের মালিকরা এটি কিনে নেন।

নিলামকারী অ্যান্ড্রু অলড্রিজ বলেন, এই রেকর্ড-ভাঙা দাম টাইটানিকের গল্পের প্রতি মানুষের আগ্রহ এবং সেইসব যাত্রী ও নাবিকদের প্রতি শ্রদ্ধাকেই তুলে ধরে, যাদের গল্প এই স্মৃতিচিহ্নগুলোর মাধ্যমে অমর হয়ে আছে। ১৯১২ সালের ১৪ই এপ্রিল মধ্যরাতের ঠিক আগে, ইংল্যান্ড থেকে নিউইয়র্কে তার প্রথম সমুদ্রযাত্রায় নিউফাউন্ডল্যান্ডের কাছে টাইটানিক ডুবে যাওয়ার সময়, ফ্রাঙ্কাটেলি আরও ১১ জনের সঙ্গে ১ নম্বর লাইফবোটে ওঠার সময় এই লাইফ জ্যাকেটটি পরেছিলেন। পরে তিনি এবং একই লাইফবোটের আরও সাতজন জীবিত ব্যক্তি জিনিসটিতে স্বাক্ষর করেন। যদিও জিনিসটি উচ্চ মূল্যে বিক্রি হয়েছে তবে এটি টাইটানিক স্মারকগুলোর দামের রেকর্ড ভাঙতে পারেনি। ২০২৪ সালে, আরএমএস কার্পেথিয়ার ক্যাপ্টেনকে দেওয়া একটি সোনার পকেট ঘড়ি ১.৫৬ মিলিয়ন পাউন্ডে বিক্রি হয়েছিল ।