গণভোটের প্রচারণায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

Published: 23 April 2026

পোস্ট ডেস্ক :


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি রিফাত রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মঈনুল ইসলাম এবং মুখ্য সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলামের বিরুদ্ধে অর্থ কেলেঙ্কারির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ ও সর্বসাধারণকে অবহিতকরণের লক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। গতকাল বিকাল ৩ টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে, কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত করার চেষ্টা, গণভোটে হ্যাঁ এর পক্ষে প্রচারণার জন্য প্রাপ্ত সরকারি অনুদানের তথ্য গোপন ও খরচের বিবরণী কেন্দ্রীয় ফোরামে গোপন রেখে সংগঠনের নামে মঞ্জুরীকৃত সরকারি অর্থ তছরুপের অভিযোগ সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত করার লক্ষ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সারাদেশের নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে উক্ত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাশরাফি সরকার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার যদি ফ্যাসিস্ট হয়ে থাকে তাহলে বৈষম্যবিরোধীর ২৫’র কমিটি সুপার প্রো ফ্যাসিস্ট ছিল। আমরা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করছি- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কোনো ব্যক্তির সম্পত্তি নয়। এই সংগঠনের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে এর সকল কর্মী ও অংশীজন-কোনো একক গোষ্ঠী নয়। আমরা অবিলম্বে- ফান্ডের উৎস ও ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ, এবং দায়ীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কেন্দ্রীয় মুখপাত্র সিনথিয়া জাহীন আয়েশা বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণভোটে হ্যা এর পক্ষে দেশব্যাপী প্রচারণার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কিন্তু পরবর্তীতে কোন ব্যক্তি/সংগঠন/ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান থেকে ফান্ড গ্রহণ করা হয়েছে এবং তা কিভাবে ব্যায় করা হয়েছে তা কেন্দ্রীয় মুখপাত্র সত্ত্বেও আমার কাছে গোপন করা হয়েছে। যেহেতু আমি সংগঠনের দায়িত্বশীল সেহেতু সংগঠনের প্রত্যেকটি সিদ্ধান্ত ও কর্মসূচি, আয়-ব্যয় জানার অধিকার এবং এই বিষয়ে সকলকে জানানোর অধিকার আমার রয়েছে বলে আমি মনে করি। আমরা বারবার জবাবদিহিতা চেয়েছি- কিন্তু প্রতিবারই বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছে, এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে, এবং উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।