জুড়ীর কৃতি সন্তান জায়েদ হবিগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও মনোনীত
জুড়ী প্রতিনিধি :

হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসন কর্তৃক জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার ২০২০-২১ এর জন্য মনোনীত হয়েছেন মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার কৃতি সন্তান ও বর্তমানে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মিনহাজুল ইসলাম জায়েদ।
গত ২০ জুন হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহানের স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এ মনোনয়ন প্রদান করা হয়। জানা গেছে, তৃণমূল পর্যায়ে সরকারী সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়া, মাঠ পর্যায়ে শুদ্ধাচার কৌশল কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও মূল্যায়নের ভিত্তিতে হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সরকারী কর্ম-পরিকল্পনা বাস্তবায়নের শুদ্ধাচার বিষয়ক মূল্যায়নের ভিত্তিতে মোঃ মিনহাজুল ইসলামকে এ পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন প্রদান করা হয়। শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ মিনহাজুল ইসলাম যোগদানের পর থেকে উপজেলার বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারী সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে উপজেলার সংশ্লিষ্ট বিভাগসমূহে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বচ্ছতার ভিত্তিতে দায়িত্ব পালনের বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
এ ছাড়া বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে অনিয়ম দূরীকরণে তার দৃশ্যমান পদক্ষেপ উপজেলায় ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়। ইউএনও মোঃ মিনহাজুল ইসলাম বলেন, আমাকে শুদ্ধাচার পুরস্কারের জন্য মনোনীত করায় জেলা প্রশাসক মহোদয় এবং আমার উপজেলার সকল অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। একই সাথে এই পুরস্কারের সম্মান ধরে রেখে যেন আগামীতেও ভাল কাজ করে যেতে পারি এতে সকলের সহযোগীতা চাই। উল্লেখ্য, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শুদ্ধাচার চর্চায় উৎসাহ দেওয়ার লক্ষ্যে ‘শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান নীতিমালা, ২০১৭ প্রণয়ন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
পুরস্কারে মনোনীত ইউএনও জায়েদ বলেন, এই পদক প্রাপ্তিতে শুরুতেই গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি মাঠ প্রশাসনে আমার প্রথম অভিভাবক, হবিগঞ্জ জেলার প্রাক্তন জেলা প্রশাসক শ্রদ্ধেয় মোহাম্মদ কামরুল হাসান স্যার ও বর্তমান জেলা প্রশাসক শ্রদ্ধেয় ইশরাত জাহান স্যারের প্রতি। কৃতজ্ঞ জেলা প্রশাসনে কর্মরত শ্রদ্ধেয় স্যারগণ ও অনুজ সহকর্মীদের কাছে যাদের সহযোগিতা ছাড়া আমার মতো মাঠ প্রশাসনে অনভিজ্ঞ একজনের পক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দায়িত্ব পালন করা সম্ভবপর ছিলো না। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি জেলার অন্য সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসারের প্রতি। তাদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ আমার দায়িত্ব পালনকে সহজতর করেছে। সহকারী কমিশনার (ভূমি)সহ শায়েস্তাগঞ্জে কর্মরত অন্যান্য বিভাগ ও দপ্তরের কর্মকর্তারা সার্বিক সহয়তা করায় আমার উপর অর্পিত দায়িত্বাবলী পালন করতে পেরেছি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সকল সহকর্মীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টা। আমার কাজকে মসৃণ করেছে। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি সকলস্হরের জনপ্রতিনিধিসহ শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলাবাসীর কাছে আইনানুগ সকল কর্মে সহযোগিতা প্রদানের জন্য। কৃতজ্ঞ স্থানীয় সকল গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে যারা উপজেলা প্রশাসনের ছোট ছোট কর্মগুলো গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করে আমাদের কর্মকাণ্ডগুলো জনগণের কাছে পোঁছে দিয়েছেন।
জেলা প্রশাসন আমাকে যে মূল্যায়ন করেছেন সে মর্যাদা ধরে রেখে আমি যেন সততা, নিষ্ঠা ও ন্যায়পরায়ণতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে পারি, সকলের এই দোয়াটুকুর প্রত্যাশা থাকলো। ২৮ তম বিসিএস এ উর্থীর্ণ হয়ে একজন মেধাবী সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে গত ১ লা ডিসেম্বর ২০১০ সালে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে যোগ দেন। তিনি গত ০১ অক্টেবর, ২০১৫ তারিখে দ্বিতীয় কর্মস্থল হিসেবে যোগ দেন অর্থ বিভাগে। ৪ বছর ৪ মাস অতিবাহিত করে পরবর্তী কর্মস্হল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীনে যোগ দিয়ে দক্ষতার সহিত দায়িত্ব পালন করেন।




