জুড়ীতে ট্রাফিকের ঘুষ নেওয়ার প্রতিবাদে সিএনজি চালকদের সড়ক অবরোধ
জুড়ী প্রতিনিধি :

মৌলভীবাজারের জুড়ীতে সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালকরা সড়ক অবরোধ করে রেখেছিল প্রায় ১ ঘন্টা। কুলাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাদেক কাউছার দস্তগীরের হস্তক্ষেপে দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে রাস্তা ছেড়ে দেয় তারা।
সরেজমিনে জানা যায়,সকাল ১০ টা থেকে জুড়ী নাইট চৌমুহনীতে সিএনজি অটোরিকশা গাড়ির চেকিং শুরু করেন মৌলভীবাজারের টিআই মোহাম্মদ উল্লাহ।৮ টি সিএনজিতে মামলা দিয়ে জব্দ করা হলে ক্যাম্প স্ট্যান্ড,শিশুপার্ক স্ট্যান্ডের চালকরা এসে জুড়ী -বড়লেখা সড়ক অবরোধ করে রাখে।খবর পেয়ে কুলাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাদেক কাউছার দস্তগীর ও জুড়ী থানার ওসি সন্জয় চক্রবর্তী ঘটনাস্থলে আসেন।প্রায় ঘন্টা খানেক অবরোধ থাকার পর থানায় সমবোঝার সিদ্ধান্তে অবরোধ তুলে নেয় চালকরা।
জুড়ী ক্যাম্প চত্বর সিএনজি স্ট্যান্ডের সাধারন সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম,সিএনজি চালক জাবেদ আহমদ,মামুন আহমদ জানান,তারা মাসিক হারে চাঁদা দেন ট্রাফিককে।আজ সকালে মৌলভীবাজার থেকে ট্রাফিক পুলিশের টিআই মোহাম্মদ উল্লাহ, এসআই কুতুব উদ্দিন স্ট্যান্ডে থাকা গাড়িগুলো চেক করে থানায় জব্দ করেন।যারা টাকা দিচ্ছে তার গাড়ি তারা ছেড়ে দিচ্ছেন। ট্রাফিক পুলিশের এ অন্যায় আচরনের জন্য আমরা অবরোধ করেছি।
মৌলভীবাজারের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ উল্লাহ জানান,আমরা সকালে জুড়ী চৌমুনাতে কাগজ বিহীন গাড়ি আটক করি,অনেক গাড়ির কাগজ ২০১২-১৩ সালে মেয়াদ উত্তীর্ণ। কয়েকটা গাড়ি জব্দ করার পর তারা রাস্তা অবরোধ করে রাখে।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কুলাউড়া সার্কেল, জুড়ী থানার ওসি, মৌলভীবাজারের টিআই, জুড়ী উপজেলা সিএনজি শ্রমিকরা সমবোঝার জন্য জুড়ী থানায় বৈঠক করছেন।




