জুড়ীতে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্ন
জুড়ি প্রতিনিধি :

মৌলভীবাজারের জুড়ীর পাতিলাসাঙ্গন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাজুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিভাবকদের পক্ষে লিখিত অভিযোগের তদন্ত করেছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।
রবিবার সকাল ১১ টায় উপজেলা মাধ্যমিক অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার আলা উদ্দীন পাতিলাসাঙ্গন উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে অভিযোগকারীদের এবং প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য নেন।এ সময় তার সাথে সহযোগিতা করেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রিংকু রন্জন দাস ও জুড়ী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিতাংশু শেখর দাশ।
অভিযোগকারীদের প্রায় ৩০জন অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন । তদন্তে সরেজমিন দেখা যায় এস এস সি পরীক্ষার ফরম ফিলাপ বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত ১৯০০ টাকার স্হলে ২২০০/ টাকা আদায় করা হয়েছে।এ ছাড়া ও উপস্হিত অভিভাবক অনেকেই রশিদ ছাড়া ও আরও অতিরিক্ত টাকা নেয়ার অভিযোগ করেন।
তদন্ত কর্মকর্তা উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার আলা উদ্দিন বলেন, আমরা উভয় পক্ষের সাথে আলোচনা করেছি।রিপোর্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করবো।বোর্ড নির্ধারিত টাকার অতিরিক্ত টাকা নেয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে কিনা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,অতিরিক্ত টাকা নেয়া হয়েছে।আমরা অভিযোগকারী ও প্রধান শিক্ষকের সকল প্রমাণাদি হাতে পেয়েছি।জুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উক্ত বিদ্যালয়ের সভাপতি।তিনিই পরবর্তী ব্যবস্হা গ্রহণ করবেন।
অভিযুক্ত পাতিলাসাঙ্গন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাজুর রহমান বলেন,এসএসসি ফরমফিলাপ পূরন বাবদ সরকারি ফি ১৯০০ টাকা ছিল, স্কুলের ধারাবাহিক মূল্যায়ন কাজের জন্য কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক ৩০০ টাকা করে অতিরিক্ত নেওয়া হয়েছে।এটা আমাদের মাধ্যমিক স্কুলের সকল প্রধান শিক্ষকরা বসে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। যা টাকা আছে সব বিদ্যালয়ের ফান্ডে জমা আছে।আমি ব্যক্তিগতভাগে কোন টাকা খরচ করি নাই।




