জামিন পেলেন হাজী সেলিম পুত্র ইরফান সেলিম
বিশেষ সংবাদদাতা, ঢাকা : মাদকদ্রব্য ও ওয়াকিটকি বহন করার দায়ে র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের দেওয়া সাজা থেকে জামিন পেয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের সাময়িক বহিষ্কৃত কাউন্সিলর ইরফান সেলিম।

আজ মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারি) মাদকদ্রব্য রাখার মামলায় ঢাকার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জামিনের এই আদেশ দেন। এর আগে গত রবিবার (৩ জানুয়ারি) ওয়াকিটকি বহন করা মামলায় আদালত জামিন দেন তাঁকে।
ইরফান সেলিমের আইনজীবী শ্রী প্রাণ নাথ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘ইরফান সেলিমকে র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের দেওয়া সাজার বিরুদ্ধে ঢাকার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আপিল করা হয়। শুনানি শেষে আদালত এই জামিন আদেশ দেন।’
গত ২৬ অক্টোবর পুরান ঢাকার বড় কাটরায় ইরফানের বাবা হাজী সেলিমের বাড়িতে দিনভর অভিযান চালায় র্যাব। ওই সময় র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত মাদক রাখার দায়ে এরফান সেলিমকে এক বছর কারাদণ্ড দেন। ইরফানের দেহরক্ষী মো. জাহিদকে ওয়াকিটকি বহন করার দায়ে ছয় মাসের সাজা দেন। এরপর গত ২৮ অক্টোবর র্যাব-৩ এর ডিএডি কাইয়ুম ইসলাম চকবাজার থানায় ইরফান সেলিম ও দেহরক্ষী জাহিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকের পৃথক চারটি মামলা দায়ের করেন।
এদিকে, নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধর ও হত্যার হুমকির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মোহাম্মদ ইরফান সেলিম ও তাঁর দেহরক্ষী জাহিদুল মোল্লাসহ অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য রয়েছে।
গত ২৫ অক্টোবর রাতে ঢাকা-৭ আসনের সাংসদ হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ‘সংসদ সদস্য’ লেখা সরকারি গাড়ি থেকে নেমে নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমেদ খানকে মারধর করা হয়। ওই ঘটনায় পরের দিন ২৬ অক্টোবর সকালে ইরফান সেলিম, তাঁর বডিগার্ড মো. জাহিদুল মোল্লা ও এ বি সিদ্দিক দিপু, গাড়িচালক মিজানুর রহমান এবং অজ্ঞাত ২-৩ জনকে আসামি করে ওয়াসিফ আহমদ খান বাদী হয়ে ধানমণ্ডি থানায় মামলা করেন।




